জয়পুরহাটে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৬ জনে। শুক্রবার সকালে সিভিল সার্জন ডা সেলিম মিঞা এ তথ্য জানান।
সিভিল সার্জন অফিসের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, জেলায় সন্দেহজনক ব্যক্তিদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা ও বগুড়ায় পাঠানো হয়ে থাকে পরীক্ষার জন্য। জেলায় বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় ঢাকা থেকে ৩১৯ জনের ও বগুড়া থেকে ১১ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়। সেখানে ঢাকা থেকে আসা নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে ১৩ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। রাতেই তাদের আক্কেলপুরের গোপীনাথপুর ইন্সটিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিতে স্থাপিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৮৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনা যুদ্ধে জয়লাভ করে বাড়ি ফিরেছে আরও ৯ জন। এ নিয়ে জেলায় করোনা যুদ্ধে জয়লাভ করে বাড়ি ফিরলো ২৫ জন। বর্তমানে এক হাজার ৪৪৯ জনের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। এরমধ্যে হোম কোয়ারেন্টাইনে এক হাজার ৩১২ জন, প্রাতিষ্ঠানিকে রয়েছে ৭৬ জন ও আইসোলেশনে রয়েছে ৬১ জন। করোনা আক্রান্তদের আক্কেলপুর উপজেলার গোপীনাথপুর ইন্সটিটিউট অব হেলথ টেকনোলজিতে স্থাপিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিবিড় পর্যবেক্ষণ সহ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। সেখানে চিকিৎসাধীন অন্যান্যদের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে জানান, সিভিল সার্জন।
উল্লেখ্য, ১৬ এপ্রিল জয়পুরহাট জেলায় প্রথম করোনা ভাইরাস শনাক্তের পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলাকে লক ডাউন ঘোষণা করা হয়।
এ দিকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে জেলায় কাঁচামাল ও নিত্য-পণ্যের দোকান ছাড়া শপিংমল সহ সকল মার্কেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজনৈতিক, গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গসহ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসনের এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকির হোসেন সভায় সভাপতিত্ব করেন।
ইত্তেফাক/এমআরএম
