সিলেটে অসহায়দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলো ‘আশা’

আপডেট : ১৫ মে ২০২০, ১৯:৫১

করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগে সিলেট জেলায় অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ সেবাদানকারী সংস্থা ’আশা’।

কোভিড-১৯ ভাইরাসের ব্যাপকতা ঠেকাতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশ সরকারও গত ২৬ মার্চ থেকে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষণা করেছে। ফলে, দৈনিক উপার্জন নির্ভর নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য সংকট। এই খাদ্য সংকট মোকাবেলায় সরকার ত্রানসামগ্রী বিতরনের বৃহৎ কর্মসূচী গ্রহন করেছে। উক্তকর্মসূচীর অংশ হিসাবে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা 'আশা' নিজস্ব তহবিলহতে সারা বাংলাদেশে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ১২ কোটি টাকার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। 

ইতিমধ্যে ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় সিটি কর্পোরেশন এর মাধ্যমে ২২ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেছে আশা। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ৫০০ পরিবার এবং সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ২০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার আশার পক্ষ থেকে সিলেট জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ আবুল কালামের নিকট ৫০০ পরিবারের জন্য খাদ্য সামগ্রী হস্তান্তর করে সংস্থাটির সিলেট বিভাগের ডিভিশনাল ম্যানেজার ইসকান্দার মীর্জা। পরবর্তীতে তা জেলা  প্রশাসনের মাধ্যমে সিলেট জেলা স্ট্যাডিয়ামে ট্রাক, ভ্যান ও সিএনজি অটোরিক্সা শ্রমিকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

এবিষয়ে উন্নয়ন সংস্থা আশার সিলেট ডিভিশনাল ম্যানেজার ইসকান্দার মীর্জা বলেন, "চলমান সংকটকালীন সময়ে আমাদের নিয়মিত খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে আমরা আজ সিলেট জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ৫০০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এই খাদ্য সামগ্রীর প্রতিটি প্যাকেজে ছিলো ১০ কেজি চাল, ২কেজি ডাল, ২ কেজি আলু, ১ লিটার ভোজ্যতেল এবং ১ কেজি লবণ।" 

তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে আমরা আশার পক্ষ থেকে সিলেট জেলার ১৩ টি উপজেলায় মোট ৩১০০ পরিবারের মাঝে ৫০ মেট্রিক টন খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছি।”

সিলেট জেলা স্ট্যাডিয়ামে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিসবাহ উদ্দিন,সিলেট কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সেলিম মিঞা, আশার সিনিয়র ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার এমজি রায়হান এবং সিনিয়র ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার মো: কুতুব মিয়া সহ সংস্থাটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ।

ইত্তেফাক/আরআই