পুরনো ঢাকার বংশাল থানার মালিটোলা ‘পিয়াসী হোটেলের’ সামনে রাস্তার পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন এক ব্যক্তি। করোনা আতঙ্কে কেউই কাছে আসছিল না। সবাই যার যার মতো পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছিল। কিন্তু বংশাল থানা পুলিশ তাদের দায় এড়িয়ে যেতে পারেননি। অচেতন এই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান তারা।
এ ব্যাপারে বংশাল থানার ওসি শাহীন ফকির বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে ওই ব্যক্তির রাস্তার পাশে অচেতন হয়ে পড়ে থাকার সংবাদ পায় পুলিশ। সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেল, করোনা রোগী সন্দেহে ওই ব্যক্তিকে কেউ ধরছেন না, এমনকি কাছেও আসছেন না। পুলিশ অজ্ঞাতনামা ২৭ বছর বয়সী এই ব্যক্তিকে পিপিই, হ্যান্ড গ্লাভস ও মাস্ক পড়িয়ে পুলিশের গাড়িতে উঠিয়ে চিকিৎসার জন্য দ্রুত স্যার সলিমুল্লাহ্ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আরো পড়ুন : রংপুরে আইনজীবীকে গলাকেটে হত্যা
তিনি বলেন, ওই ব্যক্তির পকেটে থাকা মানিব্যাগের মধ্যে একটি মোবাইল ফোন নাম্বার পাওয়া যায়। মোবাইল ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলে জানা যায় অচেতন হয়ে পড়ে থাকা ব্যক্তির নাম মরন কর্মকার। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব থানার ইছাদি বেওয়ালিয়া গ্রামে। তিনি ঢাকায় একটি জুয়েলার্সের দোকানে কাজ করেন। আরো জানা যায়, তিনি বৃহস্পতিবার গ্রাম থেকে ঢাকায় আসেন। ওসি জানান, মরন কর্মকার বর্তমানে স্যার সলিমুল্লাহ্ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
ইত্তেফাক/ইউবি
