রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক বিয়ে এবং অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ভিডিও ধারণ করে ইন্টারনেটে ছড়ানোর অভিযোগে মামলা করা হয়েছে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পর্ণোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে রেকর্ড করেছে।
শুক্রবার রাতে রেকর্ড হওয়া মামলার নম্বর ৩। এর আগে মোর্শেদ শাহরিয়ার নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মঙ্গলবার (২ জুন) খিলগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ওই ছাত্রী। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে সত্যতা পাওয়ার পর পুলিশ মামলা নেয়।
খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলে বলেন, আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
মামলায় ওই অভিযোগ করেন, একই এলাকায় বাড়ি হওয়ার সুবাদে মোর্শেদ শাহরিয়ারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ২০১৭ সালে তার সঙ্গে ফেসবুকে যোগাযোগ শুরু হয়। তখন তিনি গণবিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মোর্শেদ তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ঢাকা ও সিলেটের বিভিন্ন হোটেল নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করে। ওই সম্পর্কের গোপন ভিডিও ধারণ করে তাকে ব্লাক মেইল করতে থাকে। ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে শারিরিক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করে। এক পর্যায়ে ছাত্রী বিয়ের জন্য চাপ দিলে গত ২৩ মার্চ তাকে একটি কাজী অফিসে ৫ হাজার টাকা দেন মোহর উল্লেখ করে বিয়ে করে। বিয়ের পর তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য নানাভাবে চাপ ও হুমকি দিতে থাকে। গত ৩১ মে খিলগাঁওয়ে তার বাসায় গিয়ে মারধর করে। সে ওইসব ভিডিও হোয়াটঅ্যাপ মেসেঞ্জারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন।
ইত্তেফাক/কেকে
