বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে থমকে গেছে পুরো ক্রীড়াঙ্গন। যদিও এই মহামারির মধ্যেই ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছে ক্লাব ফুটবলের আসরগুলো। ক্রিকেটও মাঠে ফেরাতে সময় সূচি ঠিক করা আছে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিরিজটি। তবে ক্রিকেটের বিশ্ব আসরগুলো নিয়ে এখনও কোন ফয়সালা হচ্ছেই না। এশিয়া মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই এশিয়া কাপেও দেখা দিয়েছে বড় ধরনের সঙ্কট। তবে সঠিক সময়ে টুর্নামেন্ট শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী পাকিস্তান।
এ বছর এশিয়া কাপের আয়োজক পাকিস্তান। সেপ্টেম্বরে মাঠে গড়ানোর কথা এ আসরের। কিন্তু করোনা ভাইরাসের কারণে সঠিক সময়ে খেলাটি আয়োজন নিয়ে ধুম্রজাল দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে নিরাপত্তা জনিত কারণে পাকিস্তানে খেলতে রাজী নয় ভারত। আর তাই আরব আমিরাত বা শ্রীলঙ্কায় এ টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পিসিবি।
কিন্তু এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সর্বশেষ বৈঠকের পর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের (এসএলসি) প্রধান দাবি করেছিলেন, এশিয়া কাপ আয়োজনের সবুজ সংকেত পেয়েছেন তারা। পিসিবি নাকি এ ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। এখন পিসিবি প্রধান নির্বাহী করাচিতে সংবাদ সম্মেলনে দুটি দেশের কথাই উল্লেখ করলেন।
আইপিএল আয়োজনের সুযোগ করে দিতে এশিয়া কাপ করা হবে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে ওয়াসিম বলেন, ‘পাকিস্তান দল ২ সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ড থেকে ফেরার পর আমরা সেপ্টেম্বরে কিংবা অক্টোবরে এশিয়া কাপ আয়োজন করতে পারি। সময় গড়িয়ে চলার সঙ্গে এখনও কিছু বিষয় ঠিক করতে হবে। শ্রীলঙ্কায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা কম। ওরা না পারলে আরব আমিরাত প্রস্তুত’।
করোনা মহামারির মধ্যেও এশিয়া কাপ সময়মতো আয়োজন করতে চাচ্ছে তারা। অক্টোবরে মাঠে গড়ানোর কথা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এ টুর্নামেন্ট না হলে সেই ফাঁকে কিছু ম্যাচ খেলে নিতে চায় পিসিবি। ‘ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়েকে আতিথ্য দেয়ার পর ডিসেম্বরে আমরা নিউজিল্যান্ডে যাব। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে সফরে আসবে দক্ষিণ আফ্রিকা’।
নভেম্বরে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) বাকি পাঁচ ম্যাচের আয়োজন সেরে ফেলতে চায় পিসিবি।
ইত্তেফাক/এসআই
