সাতকানিয়ায় হত্যা মামলার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

আপডেট : ২৭ জুন ২০২০, ১৭:১৬

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা মামলার আসামি মো. আবদুল হান্নান ওরফে সোহেল (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ রূপকানিয়া কোতোয়াল দিঘী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহেল সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বড় বারদোনা আদর্শ পাড়ার আবদুল আলীমের ছেলে।

খবরটি নিশ্চিত করে  সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সফিউল কবীর জানান, ইয়াবাসহ মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় মোসাদ্দেকুর রহমান হত্যার মামলার আসামি ছিলেন সোহেল।

গত শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া থানার গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে পুলিশের অভিযানে সোহেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় একটি এলজি, গুলি, গুলির খোসা, ইয়াবা, বাংলা মদ ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। 

আরও পড়ুন: নিক্সন চৌধুরীর চেষ্টায় চালু হতে চলেছে গোপালপুর-চরমইনুটে ফেরি চলাচল

সাতকানিয়া থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেলের অবস্থান জানতে পেড়ে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালায়। পরে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টায় সোহেলকে কৃষি জমির পাহারা দেয়ার টং ঘর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে মোসাদ্দেক হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে একই দিন (শুক্রবার) রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে সঙ্গে নিয়ে সাতকানিয়া সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ রূপকানিয়া গাজীর পাড়া কোতোয়াল দিঘীর উত্তর-পূর্ব পাড় এলাকায় পৌঁছি। এ সময় সোহেলের ৪/৫জন সহযোগী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়া শুরু করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্তে পাল্টা গুলি ছুড়লে সহযোগিরা পিছু হটে। এর মধ্যে সোহেল পালানোর চেষ্টা করলে তার সহযোগীদের গুলিতে সে গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে ৯ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। পরে সোহেলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সেখান থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

ঘটনার সময় মোসাদ্দেক হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ , সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. জিহাদ আলী, কনস্টেবল কামরুল হাসান, সবুজ মিয়া ও নাজমুল হাসান আহত হয়। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। 

ইত্তেফাক/এসি