খোলসা, চৌকা(ভাড়), কুচ, পাচা সহ বিভিন্ন প্রকার মাছধরার বাঁশের সামগ্রীসহ সুতার তৈরি বিভিন্ন প্রকার জালসহ নানা জাতের মাছধরার সামগ্রী বিক্রি জমে উঠেছে তাহেরপুর হাটে। এই হাটে এসব মাছধরার সামগ্রীর ব্যাপক আমদানি ও কেনাবেচা হয়ে থাকে দীর্ঘদিন ধরে। তবে বর্ষা মৌসুমে এসব সামগ্রী বিক্রির ধুম পড়ে যায়। তখন দূরদূরান্তের বিক্রেতারা ছুটে আসেন এই হাটে। ঐতিহ্যবাহী এই হাটে এসব সামগ্রী কিনতে ছুটে আসেন পেশাদার জেলে ধাওয়া সহ সৌখিন মাছ শিকারিসহ গৃহস্থ লোকজনও।
পরিমল, সুভাষ, বিনয়সহ ৫/৬ জন বিক্রেতারা জানান, তারা বাপ-দাদার আমল থেকে এই হাটে সারা বছর এসব বিক্রি করে থাকেন। বর্ষাকালে বেচা বিক্রি বেড়ে যায়।
আরো পড়ুনঃ কাউখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে স্বামী- স্ত্রী’র মর্মান্তিক মৃত্যু
তারা জানান, বাঁশ ও শ্রমিকের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে মাছধরা এসব সামগ্রীর দাম গড়ে বিশভাগ বৃদ্ধি পেয়েছে। মাছ ধরার ছোট ছোট চৌকা বা ভাঁড় আগে যেগুলো ১শ টাকা করে বিক্রি করত এখন তা বিক্রি করছেন ১শ বিশ টাকা দরে। এভাবে খোলসা কুচ জালসহ বিভিন্ন সামগ্রীর দাম গড়ে বিশ ভাগ বৃদ্ধি পেলেও বিক্রির কমতি নেই।
পুরানো তাহেরপুরের মোসলেম, গোয়ালকান্দির জয়নালসহ ৫/৬ জন ক্রেতারা জানান, তাদের বাড়ি সংলগ্ন বারনই নদীসহ এলাকার বিভিন্ন খালবিলে এখন বর্ষার পানিতে ভরে গেছে। চারিদিকে মাছের আনাগোনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই তারা এই হাটে এসেছেন মাছধরা সামগ্রী কিনতে।
ইত্তেফাক/এমএএম
