হুমায়ূন রশিদ চৌধূরী, সিলেট অফিস
একদিকে করোনা, অন্যদিকে বন্যা—এ দুইয়ে বাড়ছে সিলেট অঞ্চলের মানুষের আতঙ্ক। এ পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে স্বল্প আয়ের মানুষ। জীবন ও জীবিকা নিয়ে উদ্বেগ-উত্কণ্ঠায় সময় পার করছেন তারা। আটোরিকশা চালক কিশোর মকবুল জানায়, ‘করোনার আগে হযরত শাহজালাল (র)-এর মাজারে বাবা ফুটপাতে ব্যবসা করতেন, এখন আমরা দুই জনই বেকার।’ ছয় জনের সংসার নিয়ে কষ্টে আছে মকবুলের পরিবার। লন্ডনি রোডের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মিজানের মা (৭০)। বস্তিবাসী এই বিধবার রোজগারি ছেলে কাদির কয়েক বছর আগে মারা যায়। ‘করোনার কারণে এখন ছেলের বউকে কেউ কাজ দেয় না,’—এ কথা জানিয়ে তিনি কষ্টের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পড়শিদের সাহায্যও কমে গেছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘চোখে আর পথ দেখছি না।’ রিকশাচালক মাসুক মিয়া জানালেন, রোজগার কমে গেছে। এক ফল বিক্রেতা জানালেন, ফলের মৌসুম চলছে। তারপরও আশানুরূপ বিক্রি নেই।
এদিকে, স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চার জনের মৃত্যুসহ শনিবার মোট মৃত্যু দাঁড়ায় ১০১ জনে। শনিবার সিলেটের দুই জন, সুনামগঞ্জে একজন ও মৌলভীবাজারে একজন মারা যায়। রবিবার সকাল পর্যন্ত সিলেট অঞ্চলে করোনা রোগী শনাক্ত হন ৪২ জন। এর মধ্যে সিলেটে ২৮, সুনামগঞ্জে ৮ ও হবিগঞ্জে ছয় জন।
