দলের ভাবমূর্তি নষ্টকারীকে ছাড় দেওয়া হবে না ------ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২০, ২২:৪২

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি দলের ভেতরে বর্ণচোরা সেজে যারা অর্থসম্পদ বৃদ্ধির চেষ্টা করে দলের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করবে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ এ দেশের মাটি ও মানুষের সংগঠন, জনগণের বুকের গভীরে রয়েছে এর শেকড়। দলে এসে দলের নাম ভাঙিয়ে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে কাউকে ভাগ্য বদলাতে দেওয়া যাবে না। দলের দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মীদের পেছনে রেখে আওয়ামী লীগে আশ্রয়ী, লোভী, ষড়যন্ত্রকারীদের দলে আর সুযোগ নেই।’

ওবায়দুল কাদের গতকাল সোমবার সংসদ ভবনের               সরকারি বাসভবন থেকে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক আনলাইন ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন। দুর্নীতি-অনিয়মের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকার মোটেই কার্পণ্য করে না। দুর্বৃত্তদের কোনো দল নেই, তাদের নেই দলীয় পরিচয়। অপরাধীর অপরাধকেই বিবেচনা করে শেখ হাসিনা সরকার।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার স্বপ্রণোদিত হয়ে দুর্নীতি উদ্ঘাটন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে আসছে। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান থেকে শুরু করে ত্রাণকাজে অনিয়ম এবং স্বাস্থ্য খাতের অনিয়মের বিরুদ্ধে চলমান কার্যক্রম শুদ্ধি অভিযানের অংশ। অন্যান্য খাত, বিশেষ করে যেখানে অনিয়ম-দুর্নীতি, সেখানেই কঠোর অবস্থানে সরকার।’ বিএনপি সরকারে থেকে দুর্নীতি, সাম্প্রদায়িকতাসহ নানা অনিয়মকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল দাবি করে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিকে নানাভাবে আশ্রয়-প্রশ্রয় ও পুনর্বাসিত করেছিল তারা। তাদের মুখে অনিয়মের কথা মানায় না। রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে মহামারি নিয়ন্ত্রণে সরকার সুচিন্তিত সহযোগিতা চায়। বিএনপি অসহায় জনগণের পাশে না থেকে সমালোচনার নামে সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছে। বিএনপি সরকারের পদত্যাগ চায়, আমি বলব আন্দোলন-সংগ্রামে ব্যর্থ হওয়ার জন্য বিএনপির টপ টু বটম (শীর্ষ থেকে নিচ) পর্যন্ত নেতৃত্বকে পদত্যাগ করা উচিত। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুরহাট বসানোর ক্ষেত্রে ঢাকা মহানগরীর দুই সিটি করপোরেশন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, দেশব্যাপী পশুর হাটের অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বাস্তবতা ও করোনার সংক্রমণ রোধে প্রধান্য দিতে হবে এবং পাশাপাশি সিটি করপোরেশনের স্লটার হাউজগুলোকে কাজে লাগাতে হবে।