ল চেম্বারের শখ থেকেই রাজধানীর উত্তরায় একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন প্রতারক মো. সাহেদ। গতকাল বুধবার ভোরে সাহেদকে সাতক্ষীরায় গ্রেফতারের পর হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়। কিছুক্ষণ পরই তাকে নিয়ে উত্তরায় অফিসে অভিযান চালায় র্যাব। উত্তরার ঐ গোপন অফিস থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার জাল টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডের ৬২ নম্বর বায়তুল এহসান নামের বাড়ির পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ। গত দুই মাস আগে উত্তরার ফ্ল্যাটটি ৩০ হাজার টাকায় ভাড়া নেন তিনি।
গত দুই বছর ধরে বাড়িটির কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মো. তারা মিয়া। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত দুই মাস আগে সাহেদের লোকজন এ বাড়ির পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাট দেখে বাড়ির মালিক ইয়াহিয়া খানের সঙ্গে আলোচনা করেন। চুক্তি অনুযায়ী মাসে ৩০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ছিল। এই বাসায় সাহেদ দুই বার এসেছেন বলেও জানান তারা মিয়া। তিনি বলেন, ভাড়া নেওয়ার পর তিনি আর আসেননি।
গ্রেফতারের পর সাহেদকে নিয়ে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উত্তরার এ বাড়িতে অভিযান শুরু করে র্যাব। অভিযান শেষে দুপুর ১টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাহেদকে র্যাব সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এখানে অভিযানে কিছু পাওয়া গেছে কি না, সে বিষয়ে কিছু বলেনি র্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার আলম।
র?্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, সাহেদ করিমের এই অফিস সম্পর্কে তাদের আগে জানা ছিল না। তাকে গ্রেফতারের পর এই অফিস সম্পর্কে জানা যায়।
