করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ কম কেন?

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২০, ২১:২৮

করোনার প্রকোপ কমেনি; কিন্তু করোনা পরীক্ষায় মানুষের আগ্রহ কমে গেছে। এ ব্যাপারে টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত পাঠকদের অভিমত আজ প্রকাশিত হলো

বিনা মূল্যে পরীক্ষার সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া, ল্যাবের স্বল্পতা এবং রিপোর্ট প্রাপ্তিতে দীর্ঘসূত্রিতা—এসবই প্রধান কারণ। আবার, টানা দুই মাসেরও বেশি লকডাউনের পর নির্দেশনা শিথিল হওয়ায় মানুষ জীবিকার অনিবার্য তাড়নায় ছুটতে গিয়ে পরীক্ষা করাকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। তাছাড়া, ভুয়া টেস্ট রিপোর্টের ঘটনা প্রকাশের পর মানুষের আস্থার ভিত নড়বড়ে বলে সিংহভাগ মানুষ এখন পরীক্ষার চেয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সুস্থ থাকার ওপরই বেশি জোর দিচ্ছে।

মোহাম্মদ ফয়সাল

১৪৬ ডি টি রোড, পূর্ব মাদারবাড়ী, চট্টগ্রাম

করুণাহীন করোনার প্রকোপ এখনো কমেনি; কিন্তু দেশের মানুষের করোনার পরীক্ষার আগ্রহ কমে গিয়েছে। এর অনেক কারণ হতে পারে। তবে আমার মতে প্রধান কারণ হলো—নানা আশঙ্কা ও ভয়। পরীক্ষা ফি, চিকিত্সাহীনতা ও মানসিক দুর্বলতাও হতে পারে এর কারণ। শুধু করোনা কেন! মানুষ ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগেরও সহজে পরীক্ষা করতে চায় না। রোগ ধরা পড়ার আগ পর্যন্ত অন্তত নিশ্চিন্তে চলতে চায়। রিজেন্ট হাসপাতালের ভুয়া সার্টিফিকেট ও জালিয়াতিও এক্ষেত্রে প্রভাবক হতে পারে।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী

দুধনই, ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ

করোনার প্রকোপ কমেনি, কিন্তু দেশের মানুষের করোনা পরীক্ষার আগ্রহ কমে গেছে। কারণ হাসপাতালে চিকিত্সা ব্যবস্থা খুবই নাজুক। তার মধ্যে বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের থেকে গলাকাটা খরচ আদায় ও করোনা পরীক্ষায় সরকার কর্তৃক ফি নির্ধারণ, নমুনা পরীক্ষায় দীর্ঘ ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে করোনা রোগীদের। ফলাফল পেতে দেরি হচ্ছে। করোনা পরীক্ষা ও চিকিত্সাকেন্দ্র ব্যাপক হারে বৃদ্ধি না করে, তার মধ্যে করোনা পরীক্ষা ফি আরোপে প্রান্তিক মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যার কারণে অনেকে শনাক্তের বাইরে থেকে যাওয়ায় তাদের অসচেতনতার কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাচ্ছে।

মো. সাইমুন

চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম

একদিকে সরকারিভাবে বিনা মূল্যে পরীক্ষার সুযোগ বাদ দিয়ে ফি নির্ধারণ এবং অন্যদিকে বেসরকারি ল্যাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পাশাপাশি ভুয়া রিপোর্ট প্রদানের জালিয়াতিতে করোনার নমুনা পরীক্ষায় মানুষ আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। আক্রান্ত রোগী ও করোনায় মৃতদের সঙ্গে আপনজন ও সমাজের কতিপয় মানুষের অমানবিক আচরণের ঘটনা দেখেও অনেকে উপসর্গ থাকলেও পরীক্ষায় আগ্রহী হচ্ছে না।

আবু ফারুক

সদর, বান্দরবান

করোনার প্রকোপ কমেনি কিন্তু সচেতনতা বেড়েছে, শুরুর দিকটা যেমন ভয় ছিল এখন তা স্বাভাবিকতা মেনে নিয়ে সবাই করণীয় সম্পর্কে জেনে ব্যবস্থা নিয়ে স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে যাচ্ছে। আবার করোনা পরীক্ষার হাসপাতাল ও সেন্টারগুলোর প্রতি মানুষের আস্থাহীনতা, পরীক্ষা করাতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ে অধিক মানুষ রাস্তায় প্রাণ হারায়, চিকিত্সা খরচও অনেকের সাধ্যের বাইরে।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ

সেকশন-৬, মিরপুর, ঢাকা

করোনা ভাইরাসে দেশ-বিদেশ প্রাণহীন হয়ে পড়ছে। তবুও করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ নেই মানুষের। করোনা পরীক্ষার আগ্রহ কম থাকলে চলবে না আমাদের। কারণ প্রাণঘাতী করোনার ছোবলে লাখ লাখ মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে এবং আক্রান্তও হচ্ছে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

করোনা থেকে সুরক্ষায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। বর্তমানে না মানার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। করোনার দুর্যোগ বিশ্বব্যাপী। অনেক মানুষ প্রাণও হারিয়েছে। তদুপরি অনিয়ম চোখে পড়ে।

ডা. মো. জামিল রহমান

গোপালপুর, টাঙ্গাইল

এর কারণ কুসংস্কার, অশিক্ষা এবং করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে অজ্ঞতা। পত্রপত্রিকায় চিকিত্সক এবং করোনা ভাইরাস পরীক্ষার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সম্পর্কে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে তাতেও মানুষ হতাশ এবং করোনা পরীক্ষায় বিমুখ। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে আরো সঠিক পন্থা অবলম্বন করে কীভাবে জনগণকে করোনা পরীক্ষায় আগ্রহী করা যায় সেই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

মাখরাজ খান

সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ

করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থতা লাখ পেরিয়েছে। অর্থাত্ শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ৩১ শতাংশ। যদিও করোনার প্রকোপ কমেনি। করোনার নমুনা পরীক্ষার ফি নির্ধারণের কারণে অনেকে পরীক্ষা করাচ্ছেন না। করোনায় আক্রান্ত অসংখ্য মানুষ রোগ শনাক্তকরণ পরীক্ষা থেকে বাদ পড়ছেন।

মো. রবিউল হোসেন রবি

পুরানা পল্টন, ঢাকা

নোভেল করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কোনো ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। তাই এখন পর্যন্ত প্রতিরোধের প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে পরীক্ষা, আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টাইন। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা যখন বার বার পরীক্ষার ওপর জোর দিচ্ছে, বাংলাদেশ ঠিক তখনই পরীক্ষা কমিয়ে দিয়েছে যা কাম্য নয়।

বজলুল

রিসোর্স ইট্রিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ধানমন্ডি, ঢাকা

সংক্রমণ ও মৃত্যুর পাশাপাশি উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর পরিমাণ প্রতিদিন বাড়লেও সরকারের ফি নির্ধারণ এবং নমুনা দেওয়ার ক্ষেত্রে লম্বা লাইনের কারণে মানুষের আগ্রহ কমে গেছে। দেশে পরীক্ষার ল্যাবও অনেক কম এবং তাও শহরভিত্তিক হওয়ায় অনেকেই ইচ্ছে থাকলেও তাদের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিতে পারছে না।

এ এফ এম সালাহউদ্দীন

ধ্রুবনীল এন্টারপ্রাইজ, বান্দরবান সদর, বান্দরবান পার্বত্য জেলা

করোনা মহামারির প্রথম থেকে করোনা টেস্ট নিয়ে সন্দেহ-সংশয় জনমনে। করোনার প্রকোপ যতই বেড়ে চলছে, সন্দেহ তত বেড়েছে। দেশে যেসব ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট ধরা পড়ছে, ভুল হয়েছে বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইতালিতে বাংলাদেশিদের দেওয়া করোনা টেস্ট রিপোর্ট ভুয়া প্রমাণিত হলে দেশের অনুমোদিত ৭৩টি ল্যাবে ব্যাপক তদন্ত শুরু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে হাজার হাজার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট জমা পড়ে। রিজেন্ট ও জেকেজি ল্যাবের কোটি কোটি টাকার বাণিজ্যে ডাক্তার, টেস্ট ল্যাব মালিক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ শাহেদ, ডা. সাবরিনা-আরিফুলসহ অনেকের নাম প্রকাশ পেয়েছে। এসব কারণে করোনা পরীক্ষায় জনগণের আগ্রহ কমছে।

জিয়াউল হক সরকার

পূবাইল, গাজীপুর

আসলে সরকার ভয় ও শঙ্কা দূর করে, আত্মবিশ্বাস তৈরি করে সাহসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে সবকিছু স্বাভাবিক করতে চাইছে। তাই সরকার টেস্টের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছে, মানুষ যাতে টেস্ট করতে নিরুত্সাহিত হয় তাই টেস্টে ফি নির্ধারণ করছে। আবার অনেকে টেস্ট করাতে গিয়ে অনেক হয়রানি ও হেনস্তার শিকার হচ্ছে। অনেকে টেস্টের দীর্ঘসূত্রিতার জন্য গৃহে অবস্থান করেই চিকিত্সা নিচ্ছে; অর্থাত্—মানুষ ক্রমশ নিউ নরমাল ও হার্ড ইমিউনিটির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। এসব কারণে এখন টেস্টের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমছে।

মো. জিল্লুর রহমান

সতিশ সরকার রোড, গেন্ডারিয়া, ঢাকা

করোনা পরীক্ষা করিয়ে দেশের মানুষ পয়সা খরচ করে বিপদ ডেকে আনতে চায় না। তাই করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ কমে গেছে।

সালেহা আফরিন বেবী

শিবগঞ্জ, সিলেট

প্রথমত সরকার করোনা মহামারি নিয়ে সচেতন হলেও সরকারের কিছু দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অসাধু মহল করোনা পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, যার চাক্ষুষ প্রমাণ রিজেন্ট হাসপাতাল কিংবা জিকেজির কেলেঙ্কারি। টাকা দিয়ে করোনা পরীক্ষা করলেও রিপোর্ট সঠিক না পেলে অবশ্যই মানুষ উত্সাহ হারাবে। আর একজন করোনা সাসপেক্টেড মানুষ যখন পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে যাবে তখন একটা বড় ঝুঁকি থাকে যে, সে করোনা আক্রান্ত না হলেও পরীক্ষা করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়ে গেল। এই কারণেও এখন মানুষ করোনা পরীক্ষা করতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।

মোহাম্মদ জুনাইদ রহমান

চতুর্থ বর্ষ, বুয়েট

যেসব দেশ করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সফল হয়েছে তারা বেশি বেশি টেস্ট করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে; কিন্তু সংক্রমণের এতো মাস পরেও আমাদের দেশ এখনো করোনা টেস্ট সহজলভ্যও করতে পারেনি সরকার। আবার সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়াতেও অনেকেই করোনা টেস্ট করতে আসে না। তাছাড়া টেস্ট করতে গেলে হাসপাতালগুলোতে দীর্ঘ লাইনে থেকেও টেস্ট করতে না পারা, প্রতিদিন নির্দিষ্টসংখ্যক মানুষের টেস্ট করা, যেসব হাসপাতালে করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে তাদের অসদাচরণ এবং পজিটিভ-নেগেটিভ বাণিজ্য ও হাসপাতালগুলোর ভুয়া রিপোর্ট ও দুর্নীতি, টেস্ট করতে গিয়ে নানা হয়রানি ও ভোগান্তিতে পড়তে হয় সবাইকে। এসব কারণে সবাই দেশের চিকিত্সা ব্যবস্থার ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলছে। এতে সংক্রমণ ব্যাপকহারে বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। যা আমাদের মতো দেশের জন্য খুবই বিপজ্জনক।

সাদিয়া সুলতানা

সাভার, ঢাকা

উপসর্গ ছাড়া পরীক্ষা না করা, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকা লোকজনকে পরীক্ষার ব্যাপারে নিরুত্সাহিত করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তির নেগেটিভ জানতে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা না করা এমন বেশকিছু শর্ত আরোপের কারণে নমুনা সংগ্রহের সংখ্যাও কমে গেছে।

মো. আল-আমিন ইসলাম

হরিশ্বর, কাউনিয়া, রংপুর

করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও ফলাফল প্রকাশ নিয়ে রয়েছে দীর্ঘসূত্রতা। আজ নমুনা জমা দিলে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ দিন পর পাওয়া যায় রিপোর্ট নেগেটিভ নাকি পজিটিভ। এটি জানাজানি হওয়ার পর থেকে মানুষের আগ্রহ যেমন কমেছে, তেমনি করোনা টেস্ট নিয়ে প্রতারণার খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ায় মানুষের বিশ্বাস উঠে গেছে।

মোহাম্মদ অংকন

উত্তরা, ঢাকা

করোনার প্রকোপ কমে গেছে এবং নেই, সাধারণ জনগণ এটিই মনে করছে। অথচ তাদের এ ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। তাদের এ অবহেলার কারণে দেশে নিঃসন্দেহে করোনার প্রকোপ বাড়ছে এবং সবাই ভয়ংকর ক্ষতির কবলে পড়ছে যা তারা ঘুণাক্ষরেও টের পায় না। আমাদের মনে রাখতে হবে, প্রত্যেকের অবস্থান থেকে আমরা যতক্ষণ সচেতন না হব, শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখব, ততক্ষণ পর্যন্ত বলা যাবে না করোনা কবে বিদায় নেবে।

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ

নিয়ামতপুর, করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ

করোনার প্রকোপ কমেনি এ কথা সত্য। তবে সুস্থতার হার ভালো। মোট আক্রান্তের সংখ্যা বিবেচনায় দেশের করোনার মৃত্যুর হার ১.২৮ শতাংশ আর সুস্থতার হার ৫৪.৩১ শতাংশ পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী। এ কারণে অনেকেই করোনা টেস্ট করতে অনাগ্রাহী।

ইফতেখার হোসাইন লিটন

হাইমচর, চরভৈরবী

করোনা বিষয়ে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল পরিচালকদের সরাসরি নির্দেশনা দেওয়া সত্ত্বেও কেউ কোনো দায়িত্ব পালন করছেন না। এ বিষয়ে জনগণ নিরাশ বটে।

নাজমুল

শাহজাতপুর, সিরাজগঞ্জ

করোনা পরীক্ষায় আগ্রহ কমে যাওয়ার প্রধান কারণই হলো আতঙ্ক, ভয় আর অর্থদণ্ড। কেননা যদি ধরা পড়ে তবে আছে লাঞ্ছিত হওয়ার ভয়, মৃত্যুর ভয় ইত্যাদি। এছাড়া পরীক্ষা করানোতে আছে ঝুট-ঝামেলা, বিড়ম্বনা, মানহীন যন্ত্রপাতি, ভুয়া রিপোর্ট ইত্যাদির কারণে মানুষের টেস্ট করানোর আগ্রহ কমেছে। কাজেই দেশের মানুষকে ঐ সব আতঙ্ক ও ভয় থেকে অভয়দানের নিশ্চয়তা বৃদ্ধি করতে হবে।

আলহাজ মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী (হিফজু)

হাউজিং স্টেট, রাজশাহী

আমাদের বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবার মান অনেক আগে থেকেই নিম্নমানের। কিন্তু বর্তমান সেই অতীতের সেবাটাও হারিয়ে গেছে। অথচ এদেশে অনেক সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে, আছে অনেক মেডিক্যাল কলেজ। স্বাস্থ্যখাতে যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় তার বেশির ভাগ রাজনীতিবিদ এবং আমলারা খেয়ে ফেলেন। যার কারণে স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাংঘাতিক হয়রানি চলে। সাধারণ নাগরিক গণস্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত। মূলত এসব কারণে করোনা টেস্টে মানুষ অনাগ্রহী হচ্ছে।

সাইফুল ইসলাম তানভীর

বারিধারা, গুলশান, ঢাকা

সত্যিকার অর্থে করোনার পরীক্ষা থেকে শুরু করে চিকিত্সা পর্যন্ত কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা প্রকাশ পাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে এসব সীমাবদ্ধতা দ্রুত কাটিয়ে উঠতে হবে।

আল মায়ামী

ফুলবাড়িয়া, সাভার

করোনা প্রকোপ কমেনি। কিন্তু মানুষের করোনা পরীক্ষার আগ্রহ অনেক কমেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে আস্থাহীনতায় মানুষের সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন।

সুগন্ধী আক্তার

মতিঝিল, ঢাকা