মেঘনার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২০, ২১:৪৫

গজারিয়া উপজেলার মেঘনা নদীর তীরে বসবাসরত নয়ানগর গ্রামের হাজারো মানুষ ও স্থায়ী বাসিন্দারা ভাঙনের কবলে পড়েছেন। ভাঙনের ফলে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন তারা।  সরজমিনে দেখা যায়, গজারিয়া ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের মেঘনা নদীর তীরবর্তী এলাকার প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে ভাঙন। এরই মধ্যে নয়ানগর পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা আব্দুল মিয়ার ও গাজীর বাড়ীর অধিকাংশ স্থান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন থেকে বাঁচতে বসতঘরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন তীরবর্তী মানুষগুলো। একই অবস্থা আশপাশের বাসিন্দাদের। ভাঙন কবলিত এলাকাবাসী জানান, পানির উচ্চতা কম থাকলেও প্রবল বাতাসের সঙ্গে বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে তীরে। এতে ভেঙে যাচ্ছে নদীর তীরবর্তী এলাকাসহ স্থাপনা। গজারিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুতালেব ভূইয়া জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। তিনি বলেন, প্রতি বছরই কিছু না কিছু অংশে ভাঙনের সৃষ্টি হয়ে গর্ভে চলে যায় অনেক বাড়িঘর। তবে এবার পানি বেশি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে প্রবল স্রোত ও ঢেউ বেশি থাকায় পুরো এলাকা জুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন রোধে পাড় বাঁধাইয়ের জন্য অর্থ সহায়তা চেয়ে উপজেলা প্রশাসন বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, নদী ভাঙনের বিষয়টি অবগত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবহিত করার জন্য চিঠি পাঠানো হয়েছে। নদী ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।