দেবীগঞ্জে সরকারি গুদামে ধান বিক্রিতে আগ্রহী নন কৃষক

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২০, ২১:৪৬

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি গুদামে ধান-চাল সংগ্রহের গতি নেই। হাটবাজারে ধানের দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে আগ্রহী হচ্ছেন না। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীম ইকবাল জানান, উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ করা হয়েছিল। ফলনও ভালো হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে গড়ে ৪ দশমিক ৬ মেট্রিক টন ধান উত্পাদিত হয়েছে। সে হিসেবে উপজেলায় ৮৫ হাজার ২০০ মেট্রিক টন ধান উত্পন্ন হয়েছে। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. কামরুজ্জামান জানান, চলতি মৌসুমে ২৬ টাকা কেজি দরে ১ হাজার ৯৫৩ মেট্রিক টন ধান এবং ৩৬ টাকা কেজি দরে ২ হাজার ৬৫৯ মেট্রিক টন চাল কেনার জন্য সিদ্ধান্ত হয়েছে। গত ১ জুন আগ্রহী কৃষকদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে লটারি সম্পন্ন হয়। প্রতিজন কৃষককে এক মেট্রিক টন করে ধান বিক্রির জন্য বলা হলেও আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মাত্র ৬৮ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। আর চাল সংগ্রহ হয়েছে ৬৭৩ মেট্রিক টন। একজন ধান ব্যবসায়ী বলেন, কৃষকের আইডি কার্ড ও কৃষি কার্ড সংগ্রহ করে স্থানীয় পর্যায়ের একটি চক্র প্রতি মৌসুমে সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করত। কিন্তু এবারে ধানের দাম বেশি হওয়ায় তাদের তত্পরতা নেই বললেই চলে। দেবীগঞ্জের ইউএনও প্রত্যয় হাসান বলেন, প্রতিবার সরকারি গুদামে ধান চাল বিক্রি করতে অনেকেই আগ্রহী হতেন। এজন্য লটারি করতে হতো। এবার লটারিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যাও কম। হাটে ভালো দাম পাওয়ায় লটারিতে অংশগ্রহণকারীরাও ধান দিচ্ছেন না। ৩১ আগস্ট ধান-চাল সংগ্রহের শেষ তারিখ প্রয়োজনে সময়সীমা বাড়ানো হবে।