করোনার ভুয়া সনদ নিয়ে কোনো বাংলাদেশি ইতালি যাননি :পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০২০, ০০:৪৫

করোনা পরীক্ষার ভুয়া সনদ নিয়ে কোনো বাংলাদেশি ইতালি যাননি বলে দাবি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ইতালিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ার বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে ইতালি যাওয়া প্রায় ১৬০০ বাংলাদেশির কেউ ভুয়া কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট বহন করেননি। এসব যাত্রীর কেউ কেউ ‘যদি কোথাও দরকার হয়’- এমন ভাবনা থেকে নিজে থেকে কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়ে গেছেন। যদিও ইতালি প্রবেশের জন্য দেশটির সরকার কোভিড-১৯ এর নেগেটিভ সনদ সঙ্গে নেওয়ার জন্য কোনো শর্ত দেয়নি।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সম্প্র্রতি ইতালি গেছেন এমন কিছু বাংলাদেশি বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম অনুসরণ করেননি। সম্ভবত তাদের কারো কাছ থেকে কম্যুনিটির মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। গত সপ্তাহে ইতালির লাজিও অঞ্চলে ৫ হাজার পরীক্ষার মধ্যে ৬৫ জন বাংলাদেশির মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। রোমের বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে সমন্বয় করে সেখানে অবস্থানরত প্রায় ৩০ হাজার বাংলাদেশির সবারই করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি সরকার।

প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে রোমের বিমানবন্দরে উপসর্গ ধরা পড়ায় ইতালি থেকে ১২৫ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর বাংলাদেশিদের ইতালিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরো ১২টি দেশ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ইতালির সঙ্গে সব ধরনের বিমান চলাচল স্থগিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

কোভিড-১৯ এ স্বেচ্ছায় সংক্রমিত

ইত্তেফাক ডেস্ক

পনেরো জন নোবেল বিজয়ীসহ বিজ্ঞানীদের একটি দল মানুষকে স্বেচ্ছায় কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হবার আহ্বান জানিয়েছেন। উদ্দেশ্য পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা। বিজ্ঞান এবং অন্যান্য ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত শতাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি আমেরিকার স্বাস্থ্যবিষয়ক জাতীয় সংস্থা ইউএস ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের প্রধানের কাছে লেখা একটি খোলা চিঠিতে সই করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে, তথাকথিত এই চ্যালেঞ্জ ভ্যাকসিন তৈরির কাজ ত্বরান্বিত করবে এবং লাখ লাখ জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে। খবর বিবিসির

ব্রিটেনে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কর্মসূচির পরিচালক বলেছেন, এ ধরনের গবেষণার কাজ ‘সম্ভবপর এবং তা তথ্যসমৃদ্ধ হবে’। পৃথিবীতে এই মুহূর্তে ২৩টি করোনা ভাইরাসের টিকা চিকিত্সা বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে ট্রায়াল দেওয়ার কাজ চলছে। তারা বলেছেন, সেগুলোর কার্যকারিতা পরীক্ষার একমাত্র উপায়, যদি যথেষ্টসংখ্যক মানুষ স্বেচ্ছায় তাদের দৈনন্দিন কাজের পরিবেশে নিজেদের করোনা ভাইরাস জীবাণুর সংস্পর্শে এসে আক্রান্ত হবার সুযোগ তৈরি করে দেন এবং দেখেন যে, তারা আসলে সংক্রমিত হচ্ছেন কি না।