বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
আব্দুল হামিদ, বটিয়াঘাটা (খুলনা) সংবাদদাতা
বটিয়াঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও প্রয়োজনীয় জনবল সংকটে সেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন রোগীরা। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অপর্ণা বিশ্বাস জানান, হাসপাতালে ওষুধ আছে। তবে অ্যানেসথেসিওলজিস্ট না থাকায় ওটি বন্ধ আছে।
জানা গেছে, গত ১৫ জুলাই খোলা হয়েছে ফ্লু-কর্ণার। হাসপাতাল চলছে সেই ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে। চিকিত্সক, নার্সসহ অন্যান্য স্টাফদের আবাসিকস্থল বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় কেউ এখানে থাকেন না। গত আট বছর আগে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিকে ৩১ শয্যার বদলে ৫০ শয্যা ঘোষণা দেওা হয়। একটি তিনতলা ভবন নির্মাণ হলেও সেখানে রয়েছে ১৯টি বেড। চিকিত্সক রয়েছেন ২৯ জনের বদলে মাত্র ১৩ জন। তার মধ্যে একজন অন্যত্র ডেপুটেশনে থাকায় ১২ জন ডাক্তার আর ১৮ জন সেবিকা দিয়ে চলছে হাসপাতাল। এখানে নেই ওয়ার্ডবয়, সুইপার, মালিসহ অন্যান্য কর্মচারী। পুরাতন দ্বিতল ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। তারই মধ্যে রয়েছে অপারেশন থিয়েটার (ওটি), তিনটি ওয়ার্ড, প্যাথলজি, এক্স-রে মেশিন, আল্ট্রাসনো মেশিন।
তবে সবগুলোই এখন বন্ধ রয়েছে। ওটি ব্যবহার হয় না আট বছর। প্রয়োজনীয় সরঞ্জামে মরিচা ধরেছে। গত ১৫ জুলাই মাত্র ১২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি দেখা যায়। প্রসূতি মায়েদের সিজারের জন্য খুলনা মেডিক্যালে পাঠাতে হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. অপর্ণা বিশ্বাস বলেন, হাসপাতালে জনবল সংকট রয়েছে। পুরাতন দ্বিতল ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগী ঘোষণার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নিকট আবেদন করা হয়েছে। হাসপাতালে ওষুধ আছে।
তবে অ্যানেসথেসিওলজিস্ট না থাকায় ওটি (অপারেশন থিয়েটার) বন্ধ আছে। আইসোলেশন বেড আছে পাঁচটি। ডরমেটরিতে ছয় জন ডাক্তার থাকেন। ফ্লু-কর্ণার আলাদা করা হয়েছে। চিকিত্সক, নার্সসহ অন্যান্য স্টাফদের আবাসিকস্থল বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় কেউ এখানে থাকেন না।
