কৃষিকে লাভবান করতে হলে যান্ত্রিকীকরণের বিকল্প নেই :কৃষিমন্ত্রী

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২০, ০০:৩৭

স্থানীয়ভাবে কৃষি যন্ত্রপাতি তৈরিতে গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, এতে কৃষকরা যেমন কম দামে কৃষি যন্ত্রপাতি পাবে, তেমনি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে ও বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বিষয়ে বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিকে লাভবান করতে হলে যান্ত্রিকীকরণের বিকল্প নেই। যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ফসলের উত্পাদন খরচ কমাতে হবে। স্বল্প সময়ে স্বল্প জমিতে অধিক ফসল ফলাতে হবে। একই সঙ্গে উত্পাদিত কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ করতে হবে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই সরকার কৃষির যান্ত্রিকীকরণে সম্প্রতি ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করেছে। এটি যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হলে কৃষিক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আসবে।

উল্লেখ্য, ফসলের উত্পাদন বাড়াতে সরকার প্রায় ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৫২ হাজার কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষক পর্যায়ে সরবরাহ করবে। এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার, সিডার, পাওয়ার থ্রেসার, মেইজ শেলার, ড্রায়ার, পাওয়ার স্প্রেয়ার, পটেটো ডিগার ইত্যাদি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এসব যন্ত্রপাতি কীভাবে স্থানীয়ভাবে তৈরি করা বা সংযোজন করা যায় তা নিয়ে গতকাল বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তৈরিতে তাদের সক্ষমতা তুলে ধরে।

কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামানের সঞ্চালনায় সভায় অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, অতিরিক্ত সচিব (গবেষণা) কমলারঞ্জন দাশ, বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. ইকবাল আখতার মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।