রাঙ্গুনিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ওষুধ ও চিকিত্সাসামগ্রী সংগ্রহের বরাদ্দ ফেরত গেছে

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২০, ২১:১১

রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

সংগ্রহ প্রক্রিয়ার ব্যর্থতায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত অর্থ বছরের জন্য সরকারি বরাদ্দের অর্থে এম এস আর সামগ্রী (ওষুধ ও ল্যাব প্যাথলজি কেমিক্যালস, চিকিত্সা যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ইত্যাদি বিভিন্ন চিকিত্সা সরঞ্জাম) সংগ্রহ হয়নি। এ খাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরকারি বরাদ্দের প্রায় ৫০ লাখ টাকা ফেরত গেছে।  যথাসময়ে ওষুধসহ এসব প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করা না হওয়ায় বর্তমানে হাসপাতালে  ওষুধ ও চিকিত্সাসামগ্রীর সংকট দেখা দিয়েছে। হাসপাতালে আগত রোগীরা বিনা মূল্যের ওষুধ ও অন্যান্য চিকিত্সাসেবা  থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

জানা গেছে, গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগ ও  এম এস আর সামগ্রী ক্রয়ের জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকা সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়। তার মধ্যে ১ কোটি টাকার অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগ ওষুধসমূহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনায় সরবরাহের নিশ্চয়তা পাওয়া গেলেও প্রয়োজনীয় এম এস আর সামগ্রী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় সংগ্রহ করা যায়নি। এসব সামগ্রী ক্রয়ে ব্যয় না হওয়ায় জুন মাসের শেষে সরকারি বরাদ্দের অর্থ ফেরত গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, সংগ্রহ প্রক্রিয়ায় যথাসময়ে প্রশাসনিক অনুমোদন না পাওয়ায় এম এস আর সামগ্রী সংগ্রহ সম্ভব হয়নি।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান হিসাবরক্ষক দেবাশীষ বড়ুয়া জানান, অ্যাসেনসিয়াল ড্রাগ ও এম এস আর সামগ্রীর জন্য গত অর্থ বছরে ১ কোটি ৪২ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। এম এস আর সামগ্রী ক্রয়ের জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষে গত মে মাসে প্রশাসনিক অনুমোদনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে নথি পাঠানো হয়। সময়সীমার মধ্যে প্রশাসনিক অনুমোদন  না হওয়ায়  বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের মঞ্জুরি পাওয়া যায়নি। এদিকে মেয়াদান্তে জুন শেষে বরাদ্দের অর্থ ফেরত যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার রেহানুল ইসলাম বলেন, আমি প্রায় দুই মাস আগে হাসপাতালের দায়িত্ব নিয়েছি। সংগ্রহ প্রক্রিয়ার ব্যর্থতার বিষয়ে আমার জানা নেই। অন্যান্য উপায়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করে হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিত্সাসেবার কার্যক্রম চলছে।