ওষুধ ও চিকিত্সা সামগ্রীর গায়ে দাম ও মেয়াদ লেখা জরুরি

আপডেট : ১৮ জুলাই ২০২০, ২১:২৬

এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী জনগনকে জিম্মি করে ওষুধ ও চিকিত্সা সামগ্রী চড়া দামে বিক্রি করছে। অতি সম্প্রতি ওষুধ প্রশাসন বিক্রেতাদের ওষুধের দাম বেশি রাখা ও অন্যান্য অনিয়ম রোধে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে দুটি মোবাইল নম্বরে অভিযোগ করতে পরামর্শ দিয়েছে। বর্তমানে এ হেন দুর্নীতি প্রতিরোধে মাঠপর্যায়ে তদারকি জোরদার করার পাশাপাশি কৌশলগত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে। এ প্রসঙ্গে বলা যায়—

১. অধিকাংশ ক্রেতা ওষুধের প্রকৃত দাম জানেন না। এজন্য ওষুধ বিপনিকেন্দ্রে বৈধ মূল্যতালিকা টানানো।  ২. বর্তমানে  ট্যাবলেট/ক্যাপসুলের পলিমার প্যাকের গায়ে দাম লেখা থাকে না।১০-২০টি পলিমার প্যাকে ১০০/২০০টির দাম বোর্ড কাগজের বড় বাক্সে ছোট্ট করে লেখা থাকে, খুচরা ক্রেতাদের পক্ষে তা দেখা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে প্রতিটি পলিমার প্যাকের গায়ে ও অন্যান্য চিকিসাসামগ্রীর দৃশ্যমান স্থানে লাল কালিতে স্পষ্ট অক্ষরে দাম ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ লেখা। ৩. মেয়াদোত্তীর্ণ কোনো ওষুধ বিক্রেতার স্টোরে রাখা যাবে না, পাওয়া গেলে জেল-জরিমানার ব্যবস্থা করা।

অতএব এ ব্যাপারে জনস্বার্থে সংশ্লি­ষ্ট বিভাগের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করি।

মো. রফিকুল ইসলাম

প্রধান শিক্ষক, নুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বরিশাল