ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের সেমিনারে বক্তারা
ইত্তেফাক রিপোর্ট
বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের প্রভাবে একের পর এক কর্মহীন হচ্ছে কর্মীরা। নতুন নিয়োগ নেই বললেই চলে। ফলে সদ্য শিক্ষাজীবন শেষ করা তরুণরা অনেকটাই হতাশায় ভুগছেন। এ উদ্বেগ এখন শিক্ষাজীবনের শেষ দিকে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যেও।
গত শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের উদ্যোগে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনলাইনে আয়োজিত ঐ সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিবিদ, অর্থনীতির শিক্ষক ও মনোবিদরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। ‘ বৈশ্বিক মহামারির অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে মানসিক স্বাস্থ্য’ শীর্ষক ঐ সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের চেয়ারম্যান ও অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদ। দিনব্যাপী ঐ সম্মেলনের বিভিন্ন কর্মঅধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন উদ্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগের সমন্বয়কারী অধ্যাপক ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী।
এসব আলোচনায় বক্তারা কিছু আশার বাণীও শুনিয়েছেন। তারা বলেন, নতুন নিয়োগে ধীরগতি চললেও সরকারি চাকরিতে ছাঁটাই নেই বললেই চলে। বহুজাতিক কোম্পানিগুলোতে কর্মী ছাঁটাই অনেকটাই কমে এসেছে। করোনা পরিস্থিতি থেকে দ্রুত বেরিয়ে এসে অর্থনীতি স্বাভাবিক হতে চললে ফের কর্মসংস্থানের পথ উন্মুক্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
সম্মেলনের পৃথক কর্মঅধিবেশনে এ সংক্রান্ত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আইরিন খান, ভুটানের রয়েল থিম্পু কলেজের বিজনেস বিভাগের প্রোগ্রাম লিডার মাধব ভার্মা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুজ্জামান, ভারতের ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (ইউইএম) অধ্যাপক ড. সুব্রত চট্টপাধ্যায়।
সেমিনারে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উদ্যোক্তা অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রেহানা পারভীন, সারাহ তাসনীম প্রমুখ।
