একেবারে আকাশপথে গোঁ গোঁ করে চক্কর কেটে নেমে আসছে ড্রোন। দূর-নিয়ন্ত্রিত এই যন্ত্র পৌঁছে দিচ্ছে করোনা চিকিত্সার জন্য অতি প্রয়োজনীয় পিপিই, মাস্ক, গ্লাভস আর ওষুধের প্যাকেট। ভারতের নাগাল্যান্ডে বাড়তে থাকা রোগীদের সামাল দিতে রাজধানী কোহিমায় এ পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খবর কলকাতা
কোহিমার কোভিড-১৯ হাসপাতাল থেকে আইজি স্টেডিয়াম পর্যন্ত চিকিত্সাসামগ্রী পাঠানো হয়েছে। পাঁচ কিলোগ্রামের এই প্যাকেটে থাকছে পিপিই এবং অন্যান্য সুরক্ষামূলক জিনিসপত্র। কোহিমাতে পরীক্ষামূলক সফলতা এলে রাজ্যের সর্বত্র চালু হবে ড্রোনের মাধ্যমে করোনা চিকিত্সার পিপিই কিট ও ওষুধ পাঠানোর কাজ। ঘণ্টায় ৬৪ কিলোমিটার যেতে সক্ষম এ ড্রোন। একেকবারে আট কিলোমিটার পরিধিতে অত্যাবশ্যকীয় কিট পাঠানো যাবে। এর ফলে সড়কপথে যাওয়ার সময় যেমন বাঁচবে, তেমনি করোনা আক্রান্ত ও সংক্রামকদের সংস্পর্শ এড়ানো সম্ভব হবে। ড্রোন দিয়ে চিকিত্সা সরঞ্জাম ও ওষুধের কিট পাঠানোর অভিনব প্রয়োগ আরো বড় আকারেই করা হবে বলে জানিয়েছে নাগাল্যান্ড সরকার। এরই মধ্যে দুটি ড্রোন কাজে নামানো হয়েছে।
নাগাল্যান্ড জিওগ্রাফিকাল ইনফরমেশন সিস্টেমের তৈরি এ ড্রোন দুটির বহন ক্ষমতা পাঁচ কেজি থেকে বাড়িয়ে ২৫ কেজি পর্যন্ত করা হবে। সে অনুযায়ী সব চেষ্টাও চলছে। আপাতত দুটি ড্রোন লাগাতার উড়ে উড়ে জরুরি পরিষেবা দিয়ে চলেছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের কোনো রাজ্যই করোনার ছোবল থেকে রেহাই পায়নি। সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত আসাম ও ত্রিপুরা। এই দুটি রাজ্যতে করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।
