পশু ক্রয়-বিক্রয়ের ইজারা হাতের নাগালে রাখা প্রয়োজন

আপডেট : ১৯ জুলাই ২০২০, ২৩:২১

পশুর হাটে সারা বছর কমবেশি (গরু-মহিষসহ ইত্যাদি) পশু বেচাকেনা হয়। কোরবানির ঈদ উপলক্ষ্যে হাটে পশু বেচাকেনা বাড়ে নিশ্চয়ই। আর এই সুযোগে হাট কমিটির কিছু অসাধু লোক পশু ক্রয়-বিক্রয়কারীদের থেকে দ্বিগুণ-তিনগুণ ইজারা আদায় করে নেয়! আর এখন তো দুঃসময়—একদিকে করোনা, আরেকদিকে বন্যা। যেখানে মানুষেরই আশ্রয় নেই, সেখানে পশু রাখার-ই জায়গা কোথায়? তাই অনেকেই অনিচ্ছা সত্ত্বেও হাটে বিভিন্ন পশু তুলছেন, বিক্রি করছেন। কিন্তু অধিক ইজারা ধার্যের কারণে ক্রেতা-বিক্রেতারা আশাহত হচ্ছেন। কেউ কেউ পথে-ঘাটে পশু কেনাবেচা করছেন। অনেকেই পশু নিয়ে হাটে যেতে নারাজ। সুতরাং ৫০,০০০ টাকার গরুতে ১০০ টাকা, ১ লাখ টাকার গরুতে ২০০ টাকা এবং ৫ লাখ টাকার গরুতে ৫০০ টাকা ইজারা ধার্য হলে পশুপালনে চাহিদা বাড়বে। পশুর হাটও ভালো জমবে এবং পথে-ঘাটে পশু কেনাবেচা হবে না। বর্তমান নাজুক পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে, হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয়ের ইজারা হাতের নাগালে রাখা বিশেষ প্রয়োজন।

মোহাম্মদ আবদুল্ল­াহ

ভাটিয়া পূর্বপাড়া, নিয়ামতপুর, করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ