কাহারোল গরুর হাট এখনো জমে ওঠেনি

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২০, ০০:৩৪

কাহারোল (দিনাজপুর) সংবাদদাতা

উত্তরবঙ্গের সর্ববৃহত্ গরুর হাট বলে খ্যাত দিনাজপুর জেলার কাহারোল হাট। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের বড় ঝুঁকি নিয়ে শনিবার বসেছে এ গরুর হাট। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা গরু ক্রয় করার জন্য কাহারোল হাটে আসে। শনিবার বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু বিক্রেতা ও খামারিরা কাহারোল হাটে গরু নিয়ে আসে। হাটে গরুর দাম কম থাকায় অনেকেই গরু বিক্রি না করে ফেরত নিয়ে গেছে বাড়িতে ও খামারে। খামারি ও ব্যবসায়ীরা জানান, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম অনেক কম। আগের মতো দূর-দূরান্ত হতে গরু ক্রেতারা আসছে না গরু ক্রয়ের জন্য এ হাটে।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা দিদারুল আহসান জানান, লোকজন কম থাকায় হাটে সীমিতসংখ্যক প্রাণিসম্পদ বিভাগের লোকজন ছিল। অনেক ব্যবসায়ী বলেছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে ক্রেতারা হাটে আসতে সাহস পাচ্ছে না। গরু ব্যবসায়ী আজম জানান, তিনি চারটি গরু ক্রয় করে হাটে নিয়ে এসেছিলেন। তিনটি গরুর বিক্রি করেছেন ও একটি ফেরত নিয়ে যাচ্ছেন। তিনটি গরুতে ৬ হাজার টাকা লোকসান করে বিক্রি করতে হয়েছে।

শনিবার কাহারোল হাট ঘুরে দেখা গেছে, গরুর হাটে, সবজি বাজারসহ বিভিন্ন দোকানে অনেক বিক্রেতা ও ক্রেতার মুখে মাস্ক নেই। যদিও হাট ইজারাদার মাইকিংয়ের মাধ্যমে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট বসার কথা বলছে কিন্তু ইজারাদার হাটে কোনো রকম সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যবস্থা করেন নাই।

কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার করোনায় আক্রান্ত থাকার কারণে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

খামারে গরু ভর্তি, তবু কপালে চিন্তার ভাঁজ

মো. আমিরুজ্জামান, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা

করোনাকালে গরু কেমন হবে বেচাবিক্রি, দামও বা কি হবে—এসব চিন্তায় পড়েছেন নীলফামারীর খামারিরা। তবে অনেক খামারি অনলাইনে গরু বেচাকেনার চিন্তাভাবনাও করছেন। এরই মধ্যে এই কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

সরেজমিনে বাঁশবাড়িতে অবস্থিত ইউসুফ হূষ্টপুষ্ট খামার ও ডেইরি ফার্মে গিয়ে দেখা যায়, ২৫০টির ষাঁড় ও শতাধিক খাসি তৈরি করা হয়েছে ঈদের জন্য। গরুর দাম রাখা হয়েছে ৪০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত। আর খাসির দাম ৬ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা।

খামারের মালিক রোটারিয়ান জামিল আশরাফ মিন্টু জানান, এবার করোনাকালে গরু কেনাবেচা কি হবে তা নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন।

ঐ খামারে প্রায় ১০ জন কর্মী সারাক্ষণ কাজ করেন। নীলফামারী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোনাক্কা আলী জানান, জেলার মধ্যে ইউসুফ হূষ্টপুষ্ট খামার ও ডেইরি ফার্ম ব্যতিক্রম। খামারের বৈশিষ্টের কারণে অনেক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন এবং সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।