মাস্ক, পিপিইসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী ক্রয়ে দুর্নীতি অনুসন্ধানের জন্য কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের তিন কর্মকর্তাকে গতকাল সোমবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুদক পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।
এই তিন কর্মকর্তা হলেন—কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডির) উপপরিচালক ডা. মো. জাকির হোসেন, সিনিয়র স্টোর কিপার মো. ইউসুফ ফকির ও সাবেক মেডিক্যাল অফিসার (চিফ কো-অর্ডিনেটর) ডা. জিয়াউল হক। এর আগে একই অভিযোগে গত রবিবার সিএমএসডির সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. শাহজাহান, সাবেক ডেস্ক অফিসার-৮ ডা. সাব্বির আহম্মেদ ও স্টোর অফিসার কবির আহম্মেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গত ১২ জুলাই দুদক তলবি নোটিশের মাধ্যমে গত রবি ও গতকাল সোমবার তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে বলে। নোটিশে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কোভিড-১৯-এর চিকিত্সার নিমিত্তে নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জামাদি ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে অন্যদের যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত্পূর্বক অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে তাদের বক্তব্য শ্রবণ ও গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, করোনায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে। দৈনিক ইত্তেফাকসহ দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। কমিশন ইত্তেফাক এর একটি প্রতিবেদন আমলে নিয়ে প্রাথমিকভাবে যাচাই-বাছাই করে। এরপর অনুসন্ধান টিম গঠন করে।
