বাবুল চিশতীসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা অনুমোদন

আপডেট : ২০ জুলাই ২০২০, ২২:৫৩

ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক) প্রায় ৬৩ কোটি টাকা আত্মসাত্ ও পাচারের অভিযোগে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীসহ ছয় জনকে আসামি করে মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার কমিশন অনুসন্ধান কর্মকর্তার প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে এ মামলার সিদ্ধান্ত নেয়। দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ শিগিগরই এ মামলাটি দায়ের করা হবে বলে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, অবৈধ সুবিধা নিয়ে ভুয়া দলিলপত্রের মাধ্যমে নামে-বেনামে ঋণ বিতরণসহ বিভিন্নভাবে ফারমার্স ব্যাংকের শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইতিমধ্যে বাবুল চিশতী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা করেছে দুদক। এসব মামলার তদন্তের স্বার্থে বাবুল ও পরিবারের সদস্যদের ১৩৫ কোটি        টাকার সম্পত্তি জব্দ ও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

গতকাল কমিশন যে ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা হলেন: পদ্মা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতি, তার ছেলে বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাশেদুল হক চিশতি, সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (বরখাস্ত) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম মজুমদার, মো. রেদওয়ানুল কাবির চৌধুরী, বগুড়ার আল-ফারুক ব্যাগস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী আল ফারুক ও আল ফারুক ব্যাগস লিমিটেডের পরিচালক নিম্মি কবির  চৌধরী।

দুদক সূত্র জানায়, এই ছয় জন পরস্পর যোগসাজশে ঋণের নামে ফারমার্স ব্যাংকের মতিঝিল শাখা থেকে ৪০ কোটি ৭৯ লাখ ২১ টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাত্ ও পাচার করেছেন। ঐ টাকা ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সুদ ও আসলে ৬২ কোটি ৯৬ লাখ ৭৫ হাজার ৬১৯ টাকা দাঁড়িয়েছে। যা দণ্ড বিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারাসহ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।