চট্টগ্রামে গতকাল মঙ্গলবার মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে হালকা দমকা হাওয়াসহ ভারী বৃষ্টিপাতে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়। বৃষ্টির পানি উপচে নগরীর অন্তত ৫০টি নিচু এলাকার ঘরবাড়ি, দোকানপাট নিমজ্জিত হয়। বিভিন্ন সড়কের গর্ত ও খানাখন্দক পানিতে ভরাট হয়ে গেলে ভারী যানবাহন আটকা পড়ে। নানা স্থানে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়।
ভারী বৃষ্টিতে নগরীর বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, ষোলশহর, কাতালগঞ্জ, ডিসি রোড, বাকলিয়া, দুই নম্বর গেট, প্রবর্তক মোড়, চকবাজার, খাতুনগঞ্জ, চান্দগাঁও, হালিশহর, অক্সিজেন মোড়, আগ্রাবাদ সিডিএ আবাসিক এলাকাসহ অধিকাংশ নিম্নাঞ্চল পানিতে ডুবে যায়। বাসা, দোকানপাট, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনায় বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়লে বিভিন্ন ধরনের মূল্যবান পণ্য ও গৃহস্থালি সামগ্রী বিনষ্ট হয়। মৌসুমি বৃষ্টিপাতের সঙ্গে হালকা ঝড়ো হাওয়া বয়ে গেলে কর্ণফুলী নদী ও সমুদ্র উপকূলে নৌযানগুলো বিপদে পড়ে। বৃষ্টিপাতের ফলে খেটে খাওয়া মানুষরা গতকাল কাজ না পেয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের মুখোমুখি হয়।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী দুই-তিন দিন মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। চট্টগ্রাম বন্দরকে তিন নম্বর দূরবর্তী সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া ছোট ছোট নৌযানগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। বিকাল ৩টা পর্যন্ত পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসে বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩.৬ মিলিমিটার।
