ইত্তেফাক রিপোর্ট
আগামী ৯ আগস্ট থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় জটিলতা ও ব্যয় কমাতে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া বাতিল করা হয়েছে। শুধু অনলাইনে সর্বোচ্চ ১০টি ও সর্বনিম্ন ৫টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। আবেদন ফি ১৫০ টাকা। ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের কলেজ পরিদর্শক অধ্যাপক হারুন অর রশীদ ইত্তেফাককে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ইতিমধ্যে প্রকাশিত নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। শুধু সময়সূচিতে পরিবর্তন হবে। চলতি সপ্তাহের মধ্যে পুরো ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।
গত রবিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে এক অনলাইন মিটিংয়ে ভর্তির বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত হয়। সভায় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক, আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মু. জিয়াউল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ভর্তিতে যেন সমস্যা না হয় সেদিকে প্রতিষ্ঠানগুলিকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, কোভিড-১৯-এর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অনেকেই হয়ত ভর্তির ফি একসঙ্গে দিতে পারবে না। সে ক্ষেত্রে তারা যেন কিস্তিতে ভর্তি ফি দিতে পারে সে ব্যবস্থা রাখতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রার্থী নির্বাচনে কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা যাবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৯৫ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। মেধার ভিত্তিতে ভর্তির পরে মোট আসনের ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।
