স্পোর্টস রিপোর্টার
আগেও বর্ণবাদী আক্রমণের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন জোফরা আর্চার। এবার আইসোলেশনে থাকার সময় অনলাইনে আবার এই ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেছেন এই ইংল্যান্ডের ফাস্ট বোলার।
দলের নিয়ম ভেঙে বাড়িতে গিয়ে শাস্তি পেয়েছিলেন আর্চার। দ্বিতীয় টেস্টের দল থেকে বাদ পড়েছিলেন। আর্চার বলছিলেন এই সময় আইসোলেশনে থাকতে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বর্ণবাদী আক্রমণ সহ্য করতে হয়েছে তাকে, ‘গত কয়েক দিনে ইনস্টাগ্রামে যে ধরনের কটুকথা আমাকে বলা হয়েছে, তার বেশ কিছু ছিল বর্ণবাদী এবং আমি ঠিক করেছি, যথেষ্ট হয়েছে। ক্রিস্টাল প্যালেসের ফুটবলার উইলফ্রেড জাহা অনলাইনে এক ১২ বছর বয়সির কাছে বর্ণবাদের শিকার হওয়ার পর আমি ঠিক করেছি, কোনো কিছুই আর উপেক্ষা করব না। এজন্যই ইসিবির কাছে অভিযোগ করেছি এবং তা এখন সঠিক প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাবে।’
আর্চার অবশ্য জানেন এই লোকেরাই আবার তিনি ভালো করলে তার ভক্ত হয়ে যাবেন। তিনি বলছিলেন, ‘অবশ্য কেউই সব সময় খুব ভালো আচরণ করবে না। কিন্তু মাঝেমধ্যে আমার মনে হয়, এই পৃথিবীতে সমতা বলে কিছু নেই—আসলেই এবং সত্যিই। গত কয়েক দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক প্রোফাইল আমি অনুসরণ করা বাদ দিয়েছি এসব থেকে দূরে থাকতে। আর ফিরে তাকাব না। এসবকে অযথা যন্ত্রণা মনে হয়েছে আমার কাছে। দুটি উইকেট নিলেই আবার সবাই প্রশংসায় ভাসাবে। খুবই অস্থির এক জগতে আমরা বাস করি।’
আর্চার বলছিলেন, দলীয় নিয়ম ভাঙার পর থেকে তিনি এমন অস্বস্তির মধ্যে আছেন যে, অপরাধ করেছেন বলে মনে হচ্ছে, ‘আমি জানি যে একটা ভুল করে ফেলেছিলাম এবং সেটির ফলও ভোগ করেছি। তবে আমি অপরাধ করিনি এবং নিজেকে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি আবার পেতে চাই।’
