বিশেষ প্রতিনিধি
কোরবানির পশুর হাটে খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে মানুষকে অজ্ঞান করা হয়। এ জন্য হাট ইজারাদাররা হাটে স্থায়ী খাবার দোকান ও টি স্টল বসাবেন। কোনো প্রকার ভ্রাম্যমাণ দোকান বা হকার হাটের মধ্যে বসতে দেওয়া যাবে না। যে ব্যক্তিকে হাটে স্থায়ী খাবার দোকান দেওয়া হচ্ছে, তার পরিচয় থানায় জমা দিবেন বলে ইজারাদারদের নির্দেশনা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ প্রধান (ডিএমপি) মোহা. শফিকুল ইসলাম । গতকাল বুধবার ডিএমপি সদর দপ্তরে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা সংক্রান্ত সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, পশু বেচাকেনার টাকা নিরাপদ রাখতে হাটে ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জালটাকা শনাক্তকরণে হাটে অস্থায়ী পুলিশ কন্ট্রোল রুমে মেশিন বসানো হবে।
সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ রেলওয়ে, ফায়ার সার্ভিস, র্যাব, নৌপুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক-পরিবহন মালিক সমিতি, পশুর হাটের ইজারাদার ও বাংলাদেশ টেনারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
