চার মাস গৃহবন্দি জীবন কাটিয়ে আবারো মানুষ কর্মচঞ্চল হতে বেরিয়ে পড়েছে। জীবন ও জীবিকার তাগিদে ছুটতে হচ্ছে সবাইকে। সময় গড়িয়ে যখন বের হতে হলো তখন একটা ব্যাপারে মানুষ অভ্যস্ত হতে পেরেছে যে, স্বাস্থ্যবিধি মানলে ও মানুষজন থেকে অন্তত তিনফুট দূরত্বে থাকলে নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত থাকা যাবে। মাস্কও শুরুতে অনেকে পরতে চাইত না। এখন তাতেও অভ্যস্ত হয়েছে ৯৯ ভাগ। শিক্ষিত ও সচেতন মানুষ এখন এই বিধিগুলো মেনে চলাফেরা করছেন ও কাজে যাচ্ছেন। যে কোনো বাহনে ড্রাইভারও অনেকটা সচেতন হয়েছেন। অনেকে করোনা প্রটেকশনের যাবতীয় আইটেম সঙ্গে রাখছেন। সিএনজি ড্রাইভার স্প্রে বোতল রাখছেন। যাত্রী ওঠানোর আগে ছিটিয়ে দিচ্ছেন। যাত্রীরাও সঙ্গে স্প্রে রাখছেন। সিটে বসার আগে ছিটিয়ে তারপর বসছেন। হ্যান্ড স্যানিটাইজার মেয়েরা ব্যাগে, পুরুষরা পকেটে রাখছেন। ব্যাংকে, হাসপাতালে হাত ধোওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মাস্কের সঙ্গে হাতে গ্লাভস পরছেন কেউ কেউ। এখন নিজের সুরক্ষা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে অনেকে অবগত ও বাধ্য হয়েছেন পালন করতে। বাসাবাড়িও জীবাণুমুক্ত রাখা হচ্ছে; আশেপাশের পরিবেশ ও ব্যবহূত জিনিসপত্র। ময়লা হাত না তথাপিও জীবাণু তো দেখা যায় না, হাতটা আবার পরিষ্কার করে মুখে, চোখে, নাকে হাত লাগলে ভয় নেই—এটাও জেনেছেন অনেকে। এভাবে সচেতনতা ঘরে ঘরে তৈরি হবে আরো দ্তিগুণ। একসময় করোনা এভাবেই পরাজিত হবে।
সাহিদা সাম্য লীনা, ফেনী
