বরিশালে মৃত চিকিত্সকের স্বাক্ষর ব্যবহার করে প্যাথলজির রিপোর্ট প্রদান করায় ভুয়া চিকিত্সকসহ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দুই মালিককে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার রাত ৯টার দিকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানে ডায়াগনস্টিক সিলগালা করার পাশাপাশি আটক তিন জনকে ছয় মাস করে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নগরীর জর্ডন রোডস্থ সেন্ট্রাল মেডিক্যাল সার্ভিসেসের চিকিত্সক নূর এ সরোয়ার সৈকত এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক এ কে চৌধুরী ও জসীম উদ্দিন মিলন।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউর রহমান জানান, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিত্সক না হয়েও পদবি ব্যবহার করায় ডায়াগনস্টিক সেন্টার দি সেন্ট্রাল মেডিক্যাল সার্ভিসেসের চিকিত্সককে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ডায়াগনস্টিকের মৃত চিকিত্সক প্যাথলজিস্ট ডা. গাজী আমানুল্লাহ খানের স্বাক্ষর রিপোর্টে ব্যবহার করায় দুই মালিককে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। ডায়াগনস্টিক সেন্টার দি সেন্ট্রাল মেডিক্যাল সার্ভিসেস সিলগালা করা হয়। অভিযানে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিক্যাল অফিসার ডা. মুবিনুল হক মুবিন, র্যাব-৮ ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
