কাপ্তাই লেকে চারটি জেনারেটরে বিদ্যুত্ উত্পন্ন হচ্ছে

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২০, ২১:২১

গত কয়েক দিন ধরে কাপ্তাই ও রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকায় থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এই বৃষ্টির ফলে কাপ্তাই লেকে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। রুলকার্ভ (পানির পরিমাপ) অনুযায়ী কাপ্তাই লেকে এই মুহূর্তে (২৪ জুলাই) পানি থাকার কথা ৮৭.৩৬ ফুট মিন সি লেভেল (এম এস এল)। তবে বর্তমানে লেকে পানি রয়েছে ৮৯.১৭ ফুট এম এস এল। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুত্ কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রে জানা গেছে কাপ্তাই বিদ্যুত্ কেন্দ্রের ৫টি জেনারেটরের মধ্যে বর্তমানে সচল রয়েছে চারটি। ১, ৩, ৪ ও ৫ জেনারেটর বর্তমানে উত্পাদনে রয়েছে। এই চারটি জেনারেটরের মধ্যে ১ নম্বর জেনারেটর থেকে বিদ্যুত্ উত্পন্ন হচ্ছে ৪১ মেগাওয়াট, ৩ নম্বর জেনারেটর থেকে বিদ্যুত্ উত্পন্ন হচ্ছে ৪০ মেগাওয়াট, ৪ নম্বর জেনারেটর থেকে বিদ্যুত্ উত্পন্ন হচ্ছে ৩৬ মেগাওয়াট এবং ৫ নম্বর জেনারেটর থেকে বিদ্যুত্ উত্পন্ন হচ্ছে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্। উত্পাদিত বিদ্যুতের পুরোটাই জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালন করা হচ্ছে। ২ নম্বর জেনারেটরের স্থলে নতুন জেনারেটর বসানোর প্রচেষ্টা চলছে। যে কারণে ২ নম্বর জেনারেটরটি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কর্ণফুলী পানি বিদ্যুত্ কেন্দ্র দেশের একমাত্র জল বিদ্যুত্ কেন্দ্র। এই বিদ্যুত্ কেন্দ্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুত্ উত্পাদনে খরচ পড়ে মাত্র ২৫ পয়সা। দেশের অন্যান্য বিদ্যুত্ কেন্দ্রে প্রতি ইউনিট বিদ্যুত্ উত্পাদনে খরচ পড়ে সর্বনিম্ন ৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ টাকা পর্যন্ত। কাপ্তাই বিদ্যুত্ কেন্দ্র প্রতিবছর বিদ্যুত্ উত্পাদন করে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা মুনাফা করে আসছে। দেশের বিদ্যুত্ খাতে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুত্ কেন্দ্রের অনন্য ভূমিকার জন্য জ্বালানি মন্ত্রণালয় সব সময় এই বিদ্যুত্ কেন্দ্রের প্রতি সুদৃষ্টি রাখে বলে জানা গেছে।