সেপ্টেম্বরে আমিরাতে শুরু আইপিএল

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২০, ২১:৩৯

এ বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্থগিত হওয়ার আগেই অনুমান করা হচ্ছিল যে, এই সময়টা কাজে লাগাতে চায় ভারতীয় বোর্ড। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ফাঁকা সময়ে তারা আয়োজন করে ফেলতে চায় আইপিএল। সেটাই হচ্ছে। গতকাল আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে আরব আমিরাতের তিনটি ভেন্যুতে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরে চলবে আইপিএল। ১৯ সেপ্টেম্বর খেলা শুরু হবে এবং খেলা চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। 

আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল ভারতের সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছেন টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত দিনক্ষণ, ‘গভর্নিং কাউন্সিল সভায় বসবে শিগগিরই। তবে আমরা সূচি চূড়ান্ত করে ফেলেছি। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে টুর্নামেন্ট। আশাকরি সরকারের অনুমতিপত্রও চলে আসবে। ৫১ দিনের আইপিএল এবার।’

গতবারের আইপিএল ছিল ৪৪ দিনের। ফ্রাঞ্চাইজিদের অনুরোধে এক দিনে দুটি ম্যাচ যতটা সম্ভব কম রাখতে এবার বাড়ানো হয়েছে টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য। আরব আমিরাতের তিন মূল ভেন্যু—দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহতে হবে টুর্নামেন্টের ৬০টি ম্যাচ। দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলা হবে কি না, তা সেই দেশের সরকারের ওপর নির্ভর করছে বলে আগেই জানান আইপিএল প্রধান। এই ঘোষণার ভেতর দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এবারের আইপিএলের কাজ শুরু করল বিসিসিআই। গত মার্চে হওয়ার কথা ছিল এবারের আসরটি। কিন্তু সেই সময়ই সারা পৃথিবীতে প্রবলভাবে ছড়িয়ে পড়ে করোনা ভাইরাস। ফলে অনিশ্চিত হয়ে যায় এই টুর্নামেন্টের খেলা। ভারতের করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি সেপ্টেম্বরের মধ্যেও নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। তাই তারা দেশের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে এই আয়োজন।

টুর্নামেন্টের এক মাস আগে থেকেই দলগুলো ক্যাম্প করবে আরব আমিরাতে। অনুশীলনের জন্য আইসিসি ক্রিকেট একাডেমির মাঠগুলো ভাড়া করবে ভারতীয় বোর্ড। এর আগে ভারতের জাতীয় নির্বাচনের কারণে ২০১৪ আইপিএলের প্রথম ২০ ম্যাচ হয়েছিল আরব আমিরাতে। একই কারণে ২০০৯ আইপিএল পুরোটাই হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকায়। অবশ্য আরব আমিরাতে এই আয়োজনের জন্য বিসিসিআইকে আরো একটা ধাপ পার হতে হবে। তাদের এখন দরকার হবে সরকারের অনুমতি। সেটা এখনো না পেলেও ব্রিজেশ প্যাটেল আশাবাদী যে, এর মধ্যে তারা সেই অনুমতি পেয়ে যাবেন।

আরব আমিরাতে এই আয়োজনের ক্ষেত্রে একটা সুবিধা পাবে ভারত। সেখানে কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম এখন খুব কড়াকড়ি নয়। যে কোনো দেশ থেকে গিয়ে একটা পরীক্ষা করিয়ে নেগেটিভ রিপোর্ট এলেই যে কেউ আরব আমিরাতে থাকতে পারছেন।