কক্সবাজারে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ উখিয়ার এক ইউপি সদস্যসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত এবং চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। জানা যায়, ২০ হাজার ইয়াবাসহ আটক ইউনুছ নামে এক ব্যক্তির স্বীকারোক্তিতে দায়েরকৃত মামলার আসামি কুতুপালংয়ের কালা মিয়ার পুত্র মৌলবি বখতিয়ার ওরফে বখতিয়ার মেম্বার (৫৫) এবং কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ই-ব্লকের ইউছুপ আলীর পুত্র মো. তাহেরকে (২৭) নিয়ে পুলিশ হোয়াব্রাংয়ের সৌদিপ্রবাসী নুর হোসেনের বাগানে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে যায়। এ সময় মাদককারবারি গ্রুপের সদস্যরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করলে চার পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ পালটা গুলিবর্ষণ করলে মাদককারবারি গ্রুপের সদস্যরা পাহাড়ের দিকে পালিয়ে যায়। এর পর ঘটনাস্থল তল্লাশি করে পাঁচটি দেশীয় তৈরি এলজি, ১৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৩ রাউন্ড কার্তুজের খোসা এবং ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ বখতিয়ার উদ্দিন মেম্বার ও রোহিঙ্গা মো. তাহেরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখানে চিকিত্সাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়। ওসি প্রদীপ কুমার দাশ উপরি উক্ত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ছাগলনাইয়া (ফেনী) সংবাদদাতা জানান, ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলিতে নজরুল ইসলাম (৩২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার জয়পুর নামক স্থানে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশের দাবি, দুই দল মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন মাদক ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম। তিনি উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের পূর্ব জয়পুর (লেকের পাড়) গ্রামের মৃত শেক আহাম্মদের ছেলে। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে একটি বন্দুক, তিন রাউন্ড গুলি, দুইটি রামদা, ২০ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল ও ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান পিপিএম জানান, তার বিরুদ্ধে থানায় হত্যাসহ মোট ৯টি মামলা রয়েছে।
