লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল সড়ক

ঝুঁকি নিয়ে চলছে ১৬ জেলার মানুষ

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২০, ২১:৩৩

লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল রোডের অবস্থা বেহাল। ঝুঁকি নিয়ে চলছে ১৬ জেলার মানুষ। এ রুটে প্রতিদিন চলছে হাজার হাজার বালু-পাথরবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস। যার কারণে কার্পেটিং উঠে ও খানাখন্দক সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সড়কটি। লক্ষ্মীপুর থেকে মজু চৌধুরীর হাট পর্যন্ত ১০ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার সড়কটি শেষ গত ২০১৩ সালে সংস্কার করা হয়। এরপর সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে শুধু হালকা মেরামতের কাজ করা হলেও ভারী যান চলাচলের কারণে তা টিকছে না।

এ সড়ক দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে জেলা ভোলা, বরিশাল, সাতক্ষীরা, বরগুনা, যশোর, পিরোজপুর, খুলনা, বাগেরহাটসহ ১৬ জেলার মানুষ লক্ষ্মীপুর-মজু চৌধুরীর হাট হয়ে লঞ্চ, ফেরি দিয়ে যাতায়াত করে। এ রুটের মজু চৌধুরীর হাট এলাকায় রয়েছে বিশাল ১০টি বালু ও পাথর মহাল। এছাড়াও রয়েছে লঞ্চঘাট, ফেরিঘাট। এ লঞ্চঘাট ও ফেরিঘাট দিয়ে চট্টগ্রাম থেকে আসছে রড ও সিমেন্ট। মজু চৌধুরীর হাট থেকে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৬ চাকার ভারী ট্রাক ও লরি দিয়ে নোয়াখালী-কুমিল্লা ফোর লেন কাজের বালু ও পাথর নেওয়া হয়। এছাড়াও লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও চাঁদপুর এলাকায় বালু, পাথর, রড ও সিমেন্টবাহী যানবাহন চলাচল করে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্ত থাকার কারণে প্রতিদিনই গাড়ি উলটে ঘটছে দুর্ঘটনা।

স্থানীয় হারুন, হাবিব ও কামাল উদ্দিন জানান, জেলার সবচেয়ে ব্যস্ততম এই সড়ক দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় রয়েছে। ট্রাক চালক তছলিম উদ্দিন জানান, গত ৮ মাস থেকে বড় বড় গর্তে পানি জমে সড়কটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রায়ই এসব গর্তে আটকে গাড়ি বিকল হয়ে সড়কের দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়।

লক্ষ্মীপুর সড়ক বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক জানান, এ সড়কটির জন্য গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর টেন্ডার হয়েছিল। এরপর থেকে রিপেয়ারিংয়ের কোনো টেন্ডার না হওয়ায় সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গেছে। মন্ত্রণালয় তুলনামূলক বিবরণী (সিএস) অনুমোদন করলে সড়কের কাজ শুরু করা যাবে।