স্পোর্টস ডেস্ক
আধুনিক লেগ স্পিনারদের মধ্যে শুরুর দিকেই আসে ইমরান তাহিরের নাম। অথচ নিজের দেশের হয়ে খেলতে না পারার আক্ষেপ পোড়ায় তাকে। পাকিস্তানের লাহোরে জন্ম হয় তাহিরের। দেশের হয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ও ‘এ’ দলেও খেলেছেন তাহির। কিন্তু পরবর্তী সময় জাতীয় দলে সুযোগ পাননি তিনি। পরে বাধ্য হয়ে ২০০৫ সালে পাকিস্তান ছেড়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান তাহির। চার বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকার পর অভিবাসন আইনে জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলার অনুমতি পান তাহির। এরপর ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় দলে ডাক পান তাহির। দলে সুযোগ পেয়েই স্পিন ভেলকি দেখিয়ে জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা পাকাপোক্ত করেন তিনি। দুটি বিশ্বকাপও খেলেছেন তাহির। এখন পর্যন্ত ২০ টেস্টে ৫৭, ১০৭ ওয়ানডেতে ১৭৩ ও ৩৮ টি-টোয়েন্টিতে ৬৩ উইকেট নিয়েছেন।
বিশ্ব ক্রিকেটে সুনাম কুড়ানোর পরও মনের মধ্যে কষ্ট ঘুরপাক খাচ্ছে তাহিরের। কারণ নিজ দেশ পাকিস্তানের হয়ে খেলতে পারছেন না তিনি। তাহির বলেন, ‘আমি লাহোরে ক্রিকেট খেলতাম। যেখানেই খেলেছি পারফরমেন্স করেছি। আমি আমার ক্রিকেট জীবনের বেশির ভাগই খেলেছি পাকিস্তানে। কিন্তু জাতীয় দলে সুযোগ পাইনি। এটা আমার জন্য ভীষণ হতাশার ও কষ্টের।’
স্ত্রী সুমাইয়া দিলদারের কথাতেই ২০০৫ সালে প্রিয় জন্মভূমি ছেড়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় যান তাহির। জন্মভূমি ছেড়ে আসতে ভীষণ কষ্ট হয়েছে তাহিরেরও। সেটিও জানালেন তিনি, ‘পাকিস্তান ছেড়ে আসা আমার জন্য খুব কঠিন ছিল। তবে আল্লাহ সহায় ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলার পেছনে সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব আমার স্ত্রীর। সে আমাকে অনেক উত্সাহ দিয়েছে।’
