জনদুর্ভোগ লাঘবে সেনাবাহিনীর প্রচেষ্টা
সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা
গত তিন দিনের টানা বর্ষণে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) এলাকার নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এলাকার ২০ লাখ বাসিন্দা। রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি দুই থেকে পাঁচ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ অবস্থায় সরকারের ‘নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার আগেই এলাকার পানি নিষ্কাশনে চারটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প চালু করছে সেনাবাহিনী। বর্তমানে প্রকল্পের ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৯ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন বাস্তবায়ন করছে।
প্রকল্প পরিচালক লে. কর্ণেল মো. মাশফিকুল আলম ভুইয়া জানান, বর্তমান ও আশু বন্যাপরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর। প্রস্তুত রয়েছে চারটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প। অত্যাধুনিক কম্পিউটার সিস্টেমে পরিচালিত এসব পাম্প চালাতে এখনো বিদ্যুত্ সংযোগ নেওয়া হয়নি। ম্যানুয়ালি জেনারেটরের সাহায্যে ঝুঁকি নিয়ে দুটি পাম্প চালু করা হয়েছে। আর দুটি পাম্পও শিগগিরই চালু করা হবে। এই পাম্প দিয়ে শিমরাইলের নির্মাণাধীন পাম্প হাউজ থেকে বাইপাস করে শীতলক্ষ্যায় পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে।
প্রকল্প কর্মকর্তা মেজর সৈয়দ মোস্তাকিম হায়দার জানান, নবনির্মিত পাম্প হাউজের কাজ সম্পন্ন না হলেও বিকল্প উপায়ে ১৯৪ কিউসেক ক্ষমতাসম্পন্ন চারটির মধ্যে দুটি পাম্প চালু রয়েছে। দুই-একদিনের মধ্যে অপর দুটি চালু করা হবে। এছাড়াও ডিএনডির নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় তিন থেকে পাঁচ কিউসেক ক্ষমতাসম্পন্ন ৫০টি পাম্প প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
