কম্প্র্রেশার উত্পাদন ও রপ্তানি করছে ওয়ালটন

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২০, ২১:৪১

ইত্তেফাক রিপোর্ট

দেশে কম্প্রেশার ও এর যন্ত্রাংশ উত্পাদন, রপ্তানি করছে ওয়ালটন। গত ৬ এপ্রিল ২০১৭ সালে গাজীপুরের চন্দ্রায় উদ্বোধন করা হয় দেশের প্রথম ও একমাত্র কম্প্রেশার কারখানাটির। সর্বোচ্চ মানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ঐ কম্প্রেশার কারখানার উদ্বোধন করেন তত্কালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশ্বে ১৫তম এবং এশিয়ার মধ্যে ৮ম কম্প্রেশার উত্পাদনকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হয় বাংলাদেশ। ওয়ালটন জার্মানিতে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্প্রেশার তৈরি করছে। পণ্যের সর্বোচ্চ গুণমান নিশ্চিতে দেশের তরুণ ও মেধাবী শতাধিক প্রকৌশলীকে ইউরোপ থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিয়ে আনা হয়েছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি দেশে রপ্তানিও করেছে।

ওয়ালটন কম্প্রেশারের সিইও প্রকৌশলী মীর মুজাহেদীন ইসলাম বলেন, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি আর দক্ষতার সমন্বয়ে আমরা বিশ্বমানের কম্প্রেশার ও এর প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ উত্পাদন করছি। উত্পাদন পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছি। কম্প্রেশার তৈরির পর তা ব্যবহারের আগে এর নির্ভরযোগ্য পারফরমেন্স নিশ্চিতে আমরা বিভিন্ন টেস্ট করে থাকি। এর মধ্যে একটি টেস্ট হলো অন-অফ টেস্ট। যার মাধ্যমে কম্প্রেশারের দীর্ঘ মেয়াদে চালু থাকা অবস্থায় এর অন-অফ এ কোনো রকম সমস্যা যাতে না হয়, সেটি নিশ্চিত করা। এছাড়া ওয়্যার টেস্ট নামে আরেকটি টেস্ট করা হয়। এর মাধ্যমে কম্প্রেশারে ব্যবহূত যন্ত্রাংশের ডিউরেবিলিটি পরীক্ষা করা হয়। বর্তমানে ওয়ালটন কম্প্রেশার কারখানার বার্ষিক উত্পাদন সক্ষমতা ৪ মিলিয়ন বা ৪০ লাখ। ২০২৫ সালের মধ্যে উত্পাদন সক্ষমতা ১০ মিলিয়ন বা ১ কোটিতে উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে ওয়ালটন।

নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি শুরু থেকেই কম্প্রেশার এবং এর নানা যন্ত্রাংশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছে ওয়ালটন। কারখানা চালুর পর থেকেই জার্মানভিত্তিক বিশ্বের একটি খ্যাতনামা কম্প্রেশার উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণ যন্ত্রাংশ নিচ্ছে। সম্প্রতি ইউরেশিয়া অঞ্চলের বিজনেস হাব হিসেবে খ্যাত তুরস্কে কম্প্রেশার রপ্তানি শুরু করেছে ওয়ালটন। এছাড়াও, ইরাক, স্লোভাকিয়া, অস্ট্রিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কম্প্রেশার ও এর যন্ত্রাংশ রপ্তানি করছে ওয়ালটন। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মুর্শেদ বলেন, ওয়ালটনের টার্গেট—বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ কম্প্রেশার রপ্তানিকারক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।