স্পোর্টস ডেস্ক
ওয়ানডের প্রতি দর্শকদের আগ্রহ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। এবার টেস্টের ধাঁচেই ১৩ দলের ওয়ানডে সুপার লিগ চালু হচ্ছে। পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিশ্বকাপ সুপার লিগ’।
আগামী সপ্তাহে ইংল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে ম্যাচই এই সুপার লিগের প্রথম ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হবে। সিরিজ শুরু হবে ৩০ জুলাই। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো, এই ওয়ানডে সুপার লিগের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে কারা কারা খেলার সুযোগ পাবে।
এই আসরের মূল কাজ মূলত পরবর্তী বিশ্বকাপের সাতটি অংশগ্রহণকারী দল চূড়ান্ত করা। আইসিসির সদস্যপদধারী ১২টি দলের সঙ্গে সর্বশেষ বিশ্ব সুপার লিগের (২০১৫-১৭) চ্যাম্পিয়ন নেদারল্যান্ড এবারের সুপার লিগে অংশ নেবে। মোট ১৩ দলের লড়াই থেকে শীর্ষ সাতটি দল ২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। বাকি দলগুলোকে খেলতে হবে বাছাইপর্ব। ১২টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে থাকবে নেদারল্যান্ডস।
বিশ্বকাপ সুপার লিগের অধীনে প্রতিটি দল মোট আটটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলবে, যার চারটি হোম সিরিজ এবং চারটি অ্যাওয়ে সিরিজ। ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সিরিজ দিয়ে সুপার লিগ শুরু হওয়ায় মূলত এই সিরিজ দিয়েই আগামী বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করছে আইসিসি। একটি দলের বিরুদ্ধে একটিই সিরিজ খেলা যাবে (হয় হোম না হয় অ্যাওয়ে)। প্রতিটি সিরিজে থাকবে ১০ পয়েন্ট। সিরিজ জিতলে জয়ী দলই ১০ পয়েন্ট পেয়ে যাবে। কোনো কারণে ড্র হলে ৫ পয়েন্ট করে দুই দলের মধ্যে ভাগ হবে। এই সুপার কাপের জন্য আলাদা করে কোনো নক-আউট ম্যাচ হবে না।
জানিয়ে রাখা ভাল, ২০২৩ সালেও ২০১৯-এর মতোই ১০ দলের বিশ্বকাপ হবে। এই মেগা টুর্নামেন্টের ফলে আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তান, জিম্বাবুয়ে, নেদারল্যান্ডসের মতো দলগুলো উপকৃত হবে। কারণ, এর ফলে আগামী তিন বছরে অন্তত ২৪টি করে ওয়ানডে খেলা নিশ্চিত হয়ে গেল এই দলগুলোর।
