ধামরাই (ঢাকা) সংবাদদাতা
ধামরাই পৌরসভার ঘড়িদারপাড়ার মন্টু মিয়ার ছেলে বাসশ্রমিক আব্দুর রহমান হত্যার রহস্য অবশেষে উদ্ঘাটিত হয়েছে। মাত্র ৭০০ টাকার জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে আটককৃত আইন্তা ও মবিন স্বীকারোক্তি দিয়েছে বলে জানান ধামরাই থানার ওসি দীপক চন্দ্র সাহা। হত্যাকারীদের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে ওসি জানান, সারাদিন গাড়ি চালানো শেষে গত ২০ জুলাই বিকালে ধামরাইয়ের শরীফবাগে এসে হেলপার আব্দুর রহমানকে চালক আইন্তা ৫০০ টাকা ও কন্ট্রাক্টর মবিন ২০০ টাকা দিয়ে গাঁজা আনতে বলে। কিছুক্ষণ পরে আব্দুর রহমান গাঁজা না এনে খালি হাতে ফিরে আসে টাকা হারিয়ে ফেলেছে বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মাদকাসক্ত আইন্তা ও মবিন বাসের ভেতরেই তাকে গলাটিপে হত্যা করে এলাকার একটি ধইঞ্চা খেতে ফেলে দেয়। পরবর্তীতে যাতে লাশের গন্ধ আশপাশে ছড়াতে না পারে সে জন্য তারা গাড়ি থেকে কেরোসিন তেল এনে মৃত আব্দুর রহমানের গায়ে ঢেলে আসে। গত ২০ জুলাই রহমান নিখোঁজ হয়। ২২ জুলাই বিকাল ৪টায় ধামরাই থানা পুলিশ আব্দুর রহমানের মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং আইন্তা ও মবিনকে আটক করে। আটককৃত দুই জন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
