বর্ষা মৌসুমে শহরের মানুষগুলোর জন্য অভিশাপ নেমে আসে বৃষ্টির পানির সঙ্গে। কোথাও হাঁটুর নিচে কোথাও হাঁটুর ওপরে এবং কিছু জায়গায় তার চাইতেও বেশি পানি আটকিয়ে থাকে। জলাবদ্ধতাকে এখন নিয়তি ভেবে যাতায়াত করতে হচ্ছে। নিচু বসতবাড়িতে থাকে হাঁটুপানি। নিচু দোকানে পানি উঠে নষ্ট হয় মালামাল। সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিরা আশ্বাস দিয়ে যান জলাবদ্ধতা নিরসনের; কিন্তু বাস্তবে আশ্বাস আশ্বাসই রয়ে যায়। অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে নেই পর্যাপ্ত ড্রেন, যা আছে তা আবার প্লাস্টিক আর আবর্জনায় বেহাল অবস্থা। ফলে চরম দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। যারা পায়ে হেঁটে নিয়মিত যাতায়াত করে, জলাবদ্ধতায় তাদের অবস্থা করুণ। শহরে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট ভূমিকা পালন এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই এই বিড়ম্বনার লাঘব হতে পারে। ড্রেন যাতে আবর্জনায় ভরে না যায়, পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত না হয়—এদিকে কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট খেয়াল রাখতে হবে। আর নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব আছে—আমরা যেন যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলি।
সবুজ আহমেদ, শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
