ফেরির র্যাম্প ও সংযোগ সড়ক তলিয়ে চলাচলে দুর্ভোগ

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২০, ২১:৪৭

রাজবাড়ীর জৌকুরা-নাজিরগঞ্জ নৌ-রুট

রাজবাড়ী প্রতিনিধি ও সুজানগর (পাবনা) সংবাদদাতা

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধীনে থাকা দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের নৌ-যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম জৌকুরা-নাজিরগঞ্জ নৌ-রুট। গত দুই দিনে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে গেছে এ রুটের রাজবাড়ী সদর উপজেলার পদ্মা নদীর জৌকুরা ও পাবনার নাজিরগঞ্জের ফেরি ঘাটের র্যাম্প ও সংযোগ সড়ক। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রী ও যানবাহন চালকরা। জানা গেছে, এ পথ দিয়ে রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, পিরোজপুর, বরিশাল, গোপালগঞ্জসহ আশপাশের জেলাগুলোর বাস ও মালবাহী ট্রাক পাবনা, সিরাজগঞ্জ, রাজশাহী, রংপুর, নাটোরসহ বিভিন্ন জেলায় যাতায়াত করে। সরজমিনে দেখা গেছে, গত দুই দিনে পদ্মা পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জৌকুরা ফেরিঘাটের পন্টুনে ওঠার রাস্তাটি পানিতে তলিয়ে গেছে। ছোট যানবাহন মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেলগুলোকে প্রায় হাঁটুপানি মাড়িয়ে ফেরির পন্টুনে উঠতে হচ্ছে। মোটরসাইকেলচালক কামরুল হাসান বলেন, কুষ্টিয়া ঘুরে পাবনায় যাওয়া-আসা করতে অতিরিক্ত সময় লাগে। এ পথ দিয়ে সহজেই যাওয়া যায়। সংযোগ সড়কটি ডুবে যাওয়ায় আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জৌকুরা ঘাটের ইজারাদার মোস্তাফিজুর রহমান শরীফ বলেন, পন্টুনের র্যাম্প কিছুটা পানিতে প্লাবিত হওয়ায় যানবাহন ও যাত্রী ফেরি ওঠানামায় সমস্যা হচ্ছে। রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম সাদ্দাম হোসেন জানান, পদ্মার পানি তীব্র বৃদ্ধির কারণে পন্টনের কিছু অংশে প্লাবিত হলেও সওজ বিভাগ তাত্ক্ষণিক পন্টুন ও র্যাম্প উঠানো কাজ করে যাচ্ছে। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে যাত্রীদের পারাপার নির্বিঘ্ন আমাদের সব রকম প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে সুজানগরে নাজিরগঞ্জঘাট এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ঘাটের ম্যানেজার মো. নুরুল ইসলাম বলেন, পদ্মার পানি তীব্র বৃদ্ধি ও স্রোতের কারণে নৌরুটে ফেরি চলাচলে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ সময় লাগছে।