কক্সবাজার-টেকনাফে গুলিবিদ্ধ পাঁচ মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২০, ২২:৪৮

টেকনাফে চার ও কক্সবাজার থেকে এক জনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, নিহতরা মাদক কারবারি চক্রের সদস্য। নিজেদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ তারা নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন, হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সাতঘরিয়া এলাকার মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. ইসমাইল (২৫), হোয়াইক্যং আমতলী এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২২), খারাংখালী এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে মো. নাছির (২৩) ও পূর্ব মহেশখালীয়া পাড়া এলাকার মৃত হাকিম মিয়ার ছেলে আনোয়ার (২৪)।

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, টেকনাফে ইয়াবার ভাগবাটোয়ারা বা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই মাদক গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলিতে           চার যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল টেকনাফের খারাংখালী সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ওসি আরো জানান, হোয়াইক্যং খারাংখালীর সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় ইয়াবার লেনদেন নিয়ে দুই গ্রুপের গোলাগুলির সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করেও গুলি করে মাদক কারবারিরা। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পালটা গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মাদক কারবারিরা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে চার জনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিত্সক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫০ হাজার ইয়াবা, দুইটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র ও আট রাউন্ড গুলি জব্দ করে।

অপরদিকে, কক্সবাজার সৈকতের কবিতাচত্বর এলাকায় গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল ঘটনাস্থলে গিয়ে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিচয় জানা যায়নি। কক্সবাজার সদর থানার ওসি শাহজাহান কবির জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে গোলাগুলির খবর শুনে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে অস্ত্রধারীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে আনুমানিক ২৫/২৬ বছরের অজ্ঞাত একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। এসময় ঘটনাস্থলে তল্লাশি করে পাওয়া যায় ১০০টি ইয়াবা, একটি দেশীয় বন্দুক ও দুইটি গুলি পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।