লোহাগড়া পৌরসভার খলিশাখালি গ্রামে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মাতব্বর জলিল মোল্যার (৫২) হাত-পা বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে তার ওপর হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে ঐ এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, লোহাগড়া পৌরসভার খলিশাখালি গ্রামে আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে জলিল মোল্যা সমর্থিত লোকজনের সঙ্গে একই গ্রামের জহুর কাজী সমর্থিত লোকজনদের দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব-সংঘাত চলে আসছিল। সোমবার সকালে জলিল মোল্যা বাড়ি থেকে বের হয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। তিনি গ্রামের মাদ্রাসার পূর্ব পাশে পৌঁছলে ওত্ পেতে থাকা জহুর কাজী সমর্থিত মশিয়ার, লাভলু, সোহেল, ফয়সাল তালুকদার, আমিনুর, সজিব, ইমন, আলম ও আরমানসহ একদল দুর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জলিলের পথ আটকায়। এরপর দুর্বৃত্তরা জলিলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম করে। জলিল মোল্যার ডান হাত ও বাম পা কেটে বিচ্ছিন্ন করে তারা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লোহাগড়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিকালে যশোরের একটি বেসরকারি পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জলিলের স্বজনরা জানিয়েছেন। তারা আরো জানিয়েছেন, বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। ঘটনার পরপরই লোহাগড়া থানা পুলিশ, সিআইডি ও ডিবি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লোহাগড়া থানার ওসি সৈয়দ আশিকুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঐ গ্রামের রেশমা খাতুন, রজিনা বেগম, রুবিনা বেগম, লতিফা বেগমকে আটক করা হয়েছে।
