বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আদহানোম গেব্রেয়াসিয়াস বলেছেন, কোভিড-১৯ বিশ্বে সবচেয়ে ভয়াবহ মহামারি। এর আগে এমন মহামারি আর দেখা যায়নি। তিনি মহামারি পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য ডব্লিউএইচওর জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ইউরোপে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আসছে। এদিকে ইউনিসেফ জানিয়েছে, শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ রুগণ্তার ঝুঁকিতে শিশুরা। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের
জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ এই বলে সতর্ক করে দিয়েছে যে, করোনা মহামারির কারণে দক্ষিণ এশিয়ায় অতিরিক্ত ৩৯ লাখ শিশু তীব্র রুগণ্তার শিকার হতে পারে। ইউনিসেফ এই পরিসংখ্যানটি দিচ্ছে মেডিক্যাল জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত এক সমীক্ষার ভিত্তিতে। ল্যানসেটের ঐ সমীক্ষায় বলা হয়েছিল, করোনা ভাইরাস মহামারির আর্থসামাজিক প্রভাবের কারণে বিশ্ব জুড়ে ৬৭ লাখ শিশু তীব্র রুগণ্তার শিকার হবে। ইউনিসেফ বলছে, এর অর্ধেক শিশুই হবে দক্ষিণ এশিয়ায়। তীব্র রুগণ্তাকে খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বলে বর্ণনা করছে ইউনিসেফ।
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সতর্ক করেছেন, ইউরোপে করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আসছে। তিনি স্পেন থেকে আসা ভ্রমণকারীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার বিষয়ে বলতে গিয়ে এই সতর্কবার্তা দেন। এরই মধ্যে ইউরোপে নতুন করে সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। বেলজিয়ামে সোমবার থেকে জমায়েতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। জার্মানিতে ঢুকতে সবার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা নিশ্চিত করেছে। স্পেনে পর্যটন শিল্প সামলানোর চেষ্টা করছে দেশটির সরকার। ফ্রান্সে একটি সমুদ্রসৈকতে রাতে কারফিউ জারি হয়েছে।
