ঋণের চিন্তায় গরু নিয়ে হাটে হাটে ছোটাছুটি

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২০, ২১:৫৯

বেড়া (পাবনা) সংবাদদাতা

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার শহীদনগর গ্রামের রবিউল ইসলাম বিক্রির উদ্দেশ্যে দুটি ষাঁড় নিয়ে হাটে হাটে ঘুরছেন। ষাঁড় দুটি বিক্রির জন্য মঙ্গলবার সকালে বেড়া পৌর এলাকার করমজা পশুর হাটে নিয়ে যান। কিন্তু দুপুর তিনটা পর্যন্ত বিক্রি করতে পারেননি। এর আগে এই ষাঁড় দুটি বিক্রির জন্য তিনি সাঁথিয়ার বোয়ালমারি ও বেড়ার নাকালিয়া পশুর হাটে গিয়েছেন। কিন্তু ঐ দুটি হাটেও তিনি ষাঁড় দুটি বিক্রি করতে পারেননি। বেড়া পৌরসভার করমজা হাটে তিনি বলেন, ‘হাটে হাটে গরু নিয়্যা ছুইট্যা বেড়াতেছি। কিন্তু বেচপ্যার পারতেছি না।’ ক্রেতার অভাবের পাশাপাশি গরুর ন্যায্য দাম না পাওয়ায় তার মতো আক্ষেপ করছেন পাবনার বেড়া উপজেলার বেশির ভাগ গরু পালনকারী। গরু পালন করতে গিয়ে বেশির ভাগেরই মাথায় ঋণের বোঝা।

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা জানান, মহামারি করোনা ভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব ও বন্যা পরিস্থিতির অবনতির কারণে কোরবানির পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তাড়াশের প্রায় ৫০০ খামারি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ জে এম সালাউদ্দিন বলেন, কয়েক দিন আগেও যে সব খামারি পশু বিক্রি করেছেন তারা তুলনামূলক ভালো দাম পেয়েছেন। তাদের উচিত পশুগুলো রেখে কোরবানির কিছুদিন পর বিক্রি করা।

টেকেরহাট (মাদারীপুর) সংবাদদাতা জানান, কোরবানির পশুরহাট টেকেরহাট বন্দরে জমে উঠলেও ক্রেতার অভাবে গত বছরের তুলনায় এবছর বিক্রি হচ্ছে কম। হাটের ইজারাদাররা জানান, এ হাটে ৪০ হাজার টাকা থেকে ৫ লাখ টাকার দামের গরু বিক্রির জন্য এসেছে । তবে এ বছর ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা দামের গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে।