প্রণোদনার ঋণ প্রদানের প্রক্রিয়া সহজ করার দাবি

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২০, ২২:০৪

৬২ শতাংশ উদ্যোক্তা বেতন-ভাতা ও কর প্রদানের সক্ষমতা হারিয়েছে

ইত্তেফাক রিপোর্ট

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের (এসএমএসএমই) উদ্যোক্তাদের জন্য সরকার প্রণোদনার আওতায় স্বল্প সুদে ২০ হাজার কোটি টাকার ঋণের প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। অভিযোগ রয়েছে, ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণে অল্প কিছু উদ্যোক্তা বাদে এই শ্রেণির বেশির ভাগ উদ্যোক্তাই এই ঋণ পাচ্ছেন না। ঋণ প্রদানে ব্যাংকের কঠোর নিয়মনীতির কারণেই এই সমস্যা হচ্ছে বলেও উদ্যোক্তাদের অভিযোগ। গতকাল বুধবার ব্যবসায়ীদের সংগঠন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) আয়োজিত এক অনলাইন সেমিনারেও (ওয়েবিনার) এই ইস্যুটি ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছে। এ সময় উদ্যোক্তারা প্রণোদনার ঋণ প্রদানের প্রক্রিয়া আরো সহজ করার দাবি জানান। একই সঙ্গে সরকারঘোষিত এই প্যাকেজ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোক আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসা এবং এই প্যাকেজ বাস্তবায়নে ব্যাংকের বাইরে দায়িত্বশীল ক্ষুদ্র ঋণ দানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার তাগিদ দেন। বিশেষত প্রান্তিক পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণ প্রাপ্তি সহজ করতে বিসিক, এসএমই ফাউন্ডেশন এবং পিকেএসএফের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দেন তারা।

‘কুটির, অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তরণ’ শীর্ষক ওয়েবিনারে সভাপতিত্ব করেন ডিসিসিআইয়ের সভাপতি শামস মাহমুদ। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আবু ফারাহ মো. নাসের ছাড়াও ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি ও ব্যাংকের প্রতিনিধিরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। ডিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি এন কে এ মবিন বলেন, বাংলাদেশের জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান ২৫ শতাংশ এবং এ খাতে মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৩৬ শতাংশ লোক জড়িত। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ খাতের উদ্যোক্তাদের বিক্রি প্রায় ৩৫ শতাংশ কমে গেছে এবং উদ্যোক্তাদের প্রায় ৬২ শতাংশের বেশি কর্মচারীদের বেতন-ভাতাসহ ভ্যাট-ট্যাক্স প্রদানের সক্ষমতা হারিয়েছে। তিনি বলেন, ব্যাংক হতে ঋণ সহায়তা পেতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি করার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন।