জাতীয় ও এইচপি দলের ব্যস্ততা
স্পোর্টস রিপোর্টার
করোনার ধাক্কা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরতে বিদেশ সফরকেই টার্গেট করছে বিসিবি। সবকিছু ঠিক থাকলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে বাংলাদেশ জাতীয় দল ও হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিট শ্রীলঙ্কা সফরে যেতে পারে। দুটি দলকেই শ্রীলঙ্কায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত অনেকটাই চূড়ান্ত।
এদিকে দেশের অভ্যন্তরে করোনা পরিস্থিতির উন্নতি আশাব্যঞ্জক নয় বলে ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। ঈদুল আজহার পর স্থগিত হয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ভবিষ্যত্ নিয়ে আলোচনায় বসবে সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস)। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে প্রিমিয়ার লিগ শুরুর কথা শোনা গিয়েছিল কিছুদিন আগে। এখন সেই চিন্তাও তিমিরে হারাচ্ছে। প্রথমত বলার মতো উন্নতি নেই করোনার। দ্বিতীয়ত জাতীয় দল ও এইচপির সফর লিগ নিয়ে নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে।
দুটি দল মিলে শীর্ষ ৪০ ক্রিকেটার চলে যাবেন দেশের বাইরে। জাতীয় দলে অন্তত ১৫-১৬ জন (আরো বাড়তে পারে), এইচপিতে ২৬ জন। নিশ্চিতভাবেই ক্লাবগুলো খেলোয়াড় সংকটে পড়বে এবং লিগ জৌলুস হারাবে। আর এতসব তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়া ক্লাবগুলো মাঠে নামতে রাজি না হওয়ারই কথা।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছিল সিসিডিএম ক্লাবগুলোকে লিগের প্রস্তুতি নিতে বলেছিল। যদিও এটি ভুল তথ্য বলে জানিয়েছেন সিসিডিএমের সদস্যসচিব আলী হোসেন। গতকাল তিনি বলেছেন, ‘কবে শুরু হবে বা এমন কিছু, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। কোনো ক্লাবকে কোনো চিঠি দেওয়া হয়নি। মৌখিকভাবেও কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। ঈদের পর আমরা ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে বসব।’
২০১৯-২০ মৌসুমের প্রিমিয়ার লিগের সামনে রাজ্যের অন্ধকার, তা এখন স্পষ্ট। দেশের শীর্ষ ৪০ ক্রিকেটারকে ছাড়া লিগ হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলা চলে। জানতে চাইলে আলী হোসেন গতকাল বলেন, ‘জাতীয় দল, এইচপি দল শ্রীলঙ্কা সফরে যেতে পারে। অনেক খেলোয়াড় থাকবে না। তখন প্রিমিয়ার লিগ চালানো কঠিন হবে। সবকিছু নিয়েই আসলে ঈদের পর আলোচনা হবে।’ করোনার কারণে এক রাউন্ড পরই গত মার্চে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল প্রিমিয়ার লিগ। ঘটা করে শুরু হওয়া লিগের শুরুতে ছিলেন তারকা ক্রিকেটাররা। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে লিগ শুরু হলে পাওয়া যাবে না জাতীয় দল ও এইচপির ক্রিকেটারদের। আর তাদের ছাড়া ক্লাবগুলো লিগ খেলবে না, তা সহজেই অনুমেয়।
