কোরবানির পরবর্তী সময়ে দেখা যায় পশুর রক্ত, ঘাস, লতাপাতা, নাড়িভুঁড়ি রাস্তাঘাটে, নালা-নর্দমায়, খোলা জায়গায় পড়ে থাকে। যা পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়, পরিবেশ দূষিত করে। বর্জ্যের চাপে নালা-নর্দমা বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। আমাদের একটু অসচেতনতার কারণে দেখা দিতে পারে পরিবেশগত নানা সমস্যা, যা আমাদের জীবনযাত্রায় অস্বস্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করতে পারে। মনে রাখতে হবে— পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা যেখানে ইমানের অংশ, সেখানে কোরবানির মতো মহা ইবাদত অপরিচ্ছন্নতার কারণ হতে পারে না। অন্যের যেন অসুবিধা না হয়— সেদিকে লক্ষ রাখাতে হবে কোরবানিদাতাদের। শহরে কিংবা গ্রামে কোরবানির বর্জ্য গর্ত করে মাটি চাপা বা ডাস্টবিনে নির্দিষ্ট স্থানে সময়মতো ফেলে, পশুর রক্ত পানি, ব্লিচিং পাউডার ও অন্যান্য জীবাণুমুক্ত দ্রব্য দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করা উচিত। তাই পরিবেশ দূষণমুক্ত ও জনস্বাস্থ্য নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেমন কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে, তেমনি আমাদের পশুর উচ্ছিষ্ট বর্জ্য যেখানে সেখানে না ফেলে ব্যক্তিগত উদ্যোগে বর্জ্য অপসারণের পাশাপাশি পরিষ্কারে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেবকদের সহযোগিতা করা প্রয়োজন। কোরবানির আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আমাদের মনে লুকিয়ে থাকা হিংসা, ক্রোধ, পাশবিকতা ও পাপচিন্তা দূর করি।
মো. সাইমুন
শিক্ষার্থী, সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম
