মহামারি করোনা ও অতিবৃষ্টি থামাতে পারেনি দামুড়হুদার ফুলকপি চাষিদের বীজতলা তৈরির কাজ। আগাম ফুলকপি আবাদের জন্য বীজতলা তৈরির প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু করেছে তারা। কেউ কেউ বীজতলা তৈরির কাজ শেষ করেছে। উত্তর চাঁদপুর গ্রামের চাষি আ. আলীম বলেন, আগাম জাতের ফুলকপির বীজতলা তৈরির কাজ এক সপ্তাহ আগে শেষ করেছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কৃষি অফিস আগাম জাতের এজাতীয় সবজি আবাদের জন্য সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করছে।
