জয়পুরহাটে ভিড় নেই কামারশালায়

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২০, ২২:২৪

এবার কোরবানির ঈদে তেমন ভিড় নেই জেলার কামারশালাগুলোতে। ঈদুল আজহা উদ্যাপনে কোরবানির অংশ হিসেবে পুরোনো দা, বঁটি, ছুরি, চাকু  ধার দেওয়ার পাশাপাশি নতুন দা, বঁটি, ছুরি, চাকু কেনার  ধুম পড়ে কামারশালাগুলোতে। করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে এবারের চিত্র কিছুটা আলাদা। গত বছরের তুলনায় এবার অর্ধেক কেনাবেচাও নেই বলে জানালেন কারিগররা। বর্তমানে করোনায় কাজ কম থাকায় কামারশালাগুলোতে অনেকটা অলস সময় পার করছেন শ্রমিকরা। কামারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সারা বছর তেমন কাজ থাকে না। কোরবানির ঈদের সময় দা, বঁটি , চাকু, ছুরি, হাসুয়া  তৈরি ও বেচাকেনা ভালো হবে এমন আশায় বুক বাঁধেন কামাররা। চাহিদা থাকায় ব্যস্ততাও বেড়ে যায়, দিনরাত কাজ করতে হয় কিন্তু এবারের চিত্র আলাদা।  জেলা শহরের নতুনহাট সড়কের কামার প্রদীপ কর্মকার জানান, কোরবানির ঈদের সময় আমাদের কাজ বেড়ে গেলেও বেচাকেনা নেই। বছরের অন্য সময়গুলোতে কাজ খুবই কম থাকে। শান দেওয়ার জন্য পড়ছে প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৭০ টাকা। দা, বঁটি, ছুরি, চাকু ও হাসুয়া প্রকারভেদে ২৫০ থেকে ৪৫০ পর্যন্ত বিক্রি করতে হয়। লোহার দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি কয়লার দাম বেড়ে যাওয়ায় খুব সীমিত লাভে এগুলো বিক্রি করতে হচ্ছে। ফলে শুধু কোরবানির ঈদের বেচাকেনা করে এ ব্যবসা টিকে রাখা কঠিন বলে জানান কামার সন্তোষ মহন্ত।